পাকিস্তানের হয়ে বুধবার ওয়ানডে ক্যাপ পেতে যাচ্ছেন সাহেবজাদা ফারহান, শামিল হোসেন ও মাজ সাদাকাত। এদের মধ্যে সাহেবজাদা ফারহান টি-টোয়েন্টিতে ইতোমধ্যে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করেছেন। গত বছর মিরপুরেই বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪০ বলে ৬৩ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তার ব্যাট থেকে এসেছে ৩৮৩ রান। অন্যদিকে, শামিল হোসেন একজন বাঁহাতি ওপেনার এবং মাজ সাদাকাত ব্যাটার কাম স্পিনার হিসেবে দলে জায়গা পেয়েছেন।
একটা সময় পাকিস্তানের ঘরোয়া বা ক্লাব ক্রিকেটের তরুণরাও বাংলাদেশের বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরাতেন। ইমরান নাজির বা ইমরান ফরহাতদের মতো ক্রিকেটাররা ঢাকা লিগ খেলেই পাকিস্তানের জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় পাকিস্তানের সেই 'ট্যালেন্ট পাইপলাইন' আগের মতো শক্তিশালী নয়।
বাবর আজমের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারের অনুপস্থিতিতে এই তিন আনকোরা তরুণের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভর করা পাকিস্তানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তারা শুরুতে ব্যর্থ হলে রিজওয়ান ও আগা সালমানের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হবে।
বাংলাদেশের বোলারদের সামনে এখন সুবর্ণ সুযোগ। তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান এবং শরিফুল ইসলাম বা নাহিদ রানারা যদি শুরুতেই নতুনদের চেপে ধরতে পারেন, তবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুতই স্বাগতিকদের হাতে চলে আসবে। মাঝের ওভারগুলোতে মিরাজ ও রিশাদ হোসেনের স্পিন ঘূর্ণি কতটা কার্যকর হয়, তার ওপরই নির্ভর করছে বাংলাদেশের সাফল্য।
পাকিস্তান তরুণদের ওপর ভরসা করে নতুন যুগের সূচনা করতে চাইলেও, অনভিজ্ঞ এই ব্যাটিং লাইনআপকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার এটাই সেরা সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। ক্রিকেট ভক্তরা এখন দেখার অপেক্ষায়, ভারত সমর্থকদের সেই বিখ্যাত 'মওকা' সদ্ব্যবহার করে টাইগাররা পাকিস্তানকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিতে পারে কি না।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
পাকিস্তানের হয়ে বুধবার ওয়ানডে ক্যাপ পেতে যাচ্ছেন সাহেবজাদা ফারহান, শামিল হোসেন ও মাজ সাদাকাত। এদের মধ্যে সাহেবজাদা ফারহান টি-টোয়েন্টিতে ইতোমধ্যে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করেছেন। গত বছর মিরপুরেই বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪০ বলে ৬৩ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তার ব্যাট থেকে এসেছে ৩৮৩ রান। অন্যদিকে, শামিল হোসেন একজন বাঁহাতি ওপেনার এবং মাজ সাদাকাত ব্যাটার কাম স্পিনার হিসেবে দলে জায়গা পেয়েছেন।
একটা সময় পাকিস্তানের ঘরোয়া বা ক্লাব ক্রিকেটের তরুণরাও বাংলাদেশের বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরাতেন। ইমরান নাজির বা ইমরান ফরহাতদের মতো ক্রিকেটাররা ঢাকা লিগ খেলেই পাকিস্তানের জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় পাকিস্তানের সেই 'ট্যালেন্ট পাইপলাইন' আগের মতো শক্তিশালী নয়।
বাবর আজমের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারের অনুপস্থিতিতে এই তিন আনকোরা তরুণের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভর করা পাকিস্তানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তারা শুরুতে ব্যর্থ হলে রিজওয়ান ও আগা সালমানের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হবে।
বাংলাদেশের বোলারদের সামনে এখন সুবর্ণ সুযোগ। তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান এবং শরিফুল ইসলাম বা নাহিদ রানারা যদি শুরুতেই নতুনদের চেপে ধরতে পারেন, তবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুতই স্বাগতিকদের হাতে চলে আসবে। মাঝের ওভারগুলোতে মিরাজ ও রিশাদ হোসেনের স্পিন ঘূর্ণি কতটা কার্যকর হয়, তার ওপরই নির্ভর করছে বাংলাদেশের সাফল্য।
পাকিস্তান তরুণদের ওপর ভরসা করে নতুন যুগের সূচনা করতে চাইলেও, অনভিজ্ঞ এই ব্যাটিং লাইনআপকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার এটাই সেরা সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। ক্রিকেট ভক্তরা এখন দেখার অপেক্ষায়, ভারত সমর্থকদের সেই বিখ্যাত 'মওকা' সদ্ব্যবহার করে টাইগাররা পাকিস্তানকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিতে পারে কি না।

আপনার মতামত লিখুন