সরেজমিনে মেহেরপুরের বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা গেছে, গাছে গাছে মুকুলের ভারে ডালগুলো যেন নুয়ে পড়ছে। মুকুলকে পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচাতে এবং ফলন নিশ্চিত করতে চাষিরা এখন দিনরাত বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত। চাষিদের মতে, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মুকুল আসার হার অনেক বেশি। আর সপ্তাহখানেকের মধ্যেই মুকুল থেকে গুটি বের হতে শুরু করবে।
ভালো ফলনের সম্ভাবনা থাকলেও বাগান মালিকদের মনে রয়েছে উৎকণ্ঠা। বাগান মালিক সাখাওয়াত হোসেন ও বিল্লাল হোসেনের অভিযোগ, প্রশাসনের দেওয়া আম সংগ্রহের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বা 'ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার' অনেক সময় বাস্তবসম্মত হয় না। সঠিক সময়ের আগে আম পাড়ার অনুমতি না পাওয়ায় অনেক সময় গাছ থেকে পাকা আম ঝরে পড়ে লোকসান গুনতে হয়।
আরেক বাগান মালিক সুমন হোসেন বলেন, "মুকুল ভালো হলেও যদি রপ্তানির বাজার না পাওয়া যায় এবং ঠিক সময়ে আম ভাঙার অনুমতি না মেলে, তবে আমাদের সব পরিশ্রম বৃথা যাবে।"
মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সনজীব মৃধা জানান, চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং আম রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টির জন্য কাজ চলছে। কৃষকদের সময়সীমা সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে মন্ত্রণালয়ে জানানো হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
চলতি মৌসুমের পরিসংখ্যান:
আবহাওয়া শেষ পর্যন্ত অনুকূলে থাকলে এই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
সরেজমিনে মেহেরপুরের বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা গেছে, গাছে গাছে মুকুলের ভারে ডালগুলো যেন নুয়ে পড়ছে। মুকুলকে পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচাতে এবং ফলন নিশ্চিত করতে চাষিরা এখন দিনরাত বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত। চাষিদের মতে, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মুকুল আসার হার অনেক বেশি। আর সপ্তাহখানেকের মধ্যেই মুকুল থেকে গুটি বের হতে শুরু করবে।
ভালো ফলনের সম্ভাবনা থাকলেও বাগান মালিকদের মনে রয়েছে উৎকণ্ঠা। বাগান মালিক সাখাওয়াত হোসেন ও বিল্লাল হোসেনের অভিযোগ, প্রশাসনের দেওয়া আম সংগ্রহের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বা 'ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার' অনেক সময় বাস্তবসম্মত হয় না। সঠিক সময়ের আগে আম পাড়ার অনুমতি না পাওয়ায় অনেক সময় গাছ থেকে পাকা আম ঝরে পড়ে লোকসান গুনতে হয়।
আরেক বাগান মালিক সুমন হোসেন বলেন, "মুকুল ভালো হলেও যদি রপ্তানির বাজার না পাওয়া যায় এবং ঠিক সময়ে আম ভাঙার অনুমতি না মেলে, তবে আমাদের সব পরিশ্রম বৃথা যাবে।"
মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সনজীব মৃধা জানান, চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং আম রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টির জন্য কাজ চলছে। কৃষকদের সময়সীমা সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে মন্ত্রণালয়ে জানানো হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
চলতি মৌসুমের পরিসংখ্যান:
আবহাওয়া শেষ পর্যন্ত অনুকূলে থাকলে এই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন