পার্বতীপুর ডিপোর ব্যবস্থাপক আহসান হাবিব জানান, গত সোমবার (৯ মার্চ) বিকেল থেকে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল পাঠানো শুরু হয়েছে। এই ডিজেল ধাপে ধাপে ডিপোতে এসে পৌঁছাচ্ছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিনির্ভর জেলাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০১৭ সালে ভারতের সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি একটি চুক্তি করে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালে এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করতে পারবে।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ইতোমধ্যে বুঝে পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এই আমদানিতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা, যার একটি অংশ বিপিসি নিজস্ব তহবিল থেকে এবং বাকি অংশ ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে মেটানো হবে।
পরিবহন ধর্মঘট, রাজনৈতিক কর্মসূচি বা যেকোনো কারণে সড়ক ও রেলপথে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে এই পাইপলাইনকে সবচেয়ে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে:
বিপিসি আগামী চার মাসের মধ্যে এই পাইপলাইন ব্যবহার করে আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির একটি প্রস্তাব জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
পার্বতীপুর ডিপোর ব্যবস্থাপক আহসান হাবিব জানান, গত সোমবার (৯ মার্চ) বিকেল থেকে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল পাঠানো শুরু হয়েছে। এই ডিজেল ধাপে ধাপে ডিপোতে এসে পৌঁছাচ্ছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিনির্ভর জেলাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০১৭ সালে ভারতের সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি একটি চুক্তি করে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালে এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করতে পারবে।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ইতোমধ্যে বুঝে পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এই আমদানিতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা, যার একটি অংশ বিপিসি নিজস্ব তহবিল থেকে এবং বাকি অংশ ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে মেটানো হবে।
পরিবহন ধর্মঘট, রাজনৈতিক কর্মসূচি বা যেকোনো কারণে সড়ক ও রেলপথে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে এই পাইপলাইনকে সবচেয়ে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে:
বিপিসি আগামী চার মাসের মধ্যে এই পাইপলাইন ব্যবহার করে আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত ডিজেল আমদানির একটি প্রস্তাব জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন