পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ০৭ মার্চ সিয়ামকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় অভিযুক্ত চার বন্ধু। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অভিযুক্তরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে সিয়ামকে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ড শেষে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তারা মরদেহটি হাসপাতালের পিছনের একটি পুকুরে ফেলে দেয় এবং কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখে।
সিয়াম নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হন। পরে পুলিশের তদন্ত ও সন্দেহের ভিত্তিতে দুই অভিযুক্ত দিদার মুন্সী ও পারভেজ মুন্সীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশের কাছে দেওয়া তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতেই রাত ১১টার দিকে পুকুর থেকে সিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, সিয়ামের ব্যবহৃত দামী আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর অভিযুক্তরা ফোনটি নিজেদের দখলে নেয় এবং পরবর্তীতে বোয়ালিয়া গ্রামের এক ব্যক্তির কাছে মাত্র ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে চারজনের নাম প্রকাশ করেছে: ১. সাজিদ মুন্সী (পিতা: রিপন মুন্সী, বাঁশবাড়ীয়া) ২. পারভেজ মুন্সী (পিতা: টুটুল মুন্সী, বাঁশবাড়ীয়া) ৩. অভি মুন্সী (পিতা: রহমান মুন্সী, মাতা: পপি বেগম, বাঁশবাড়ীয়া) ৪. দিদার মুন্সী (পিতা: সাহিন মুন্সী, ঝুটি গ্রাম)
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে, সিয়ামের অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক ও দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ০৭ মার্চ সিয়ামকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় অভিযুক্ত চার বন্ধু। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অভিযুক্তরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে সিয়ামকে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ড শেষে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তারা মরদেহটি হাসপাতালের পিছনের একটি পুকুরে ফেলে দেয় এবং কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখে।
সিয়াম নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হন। পরে পুলিশের তদন্ত ও সন্দেহের ভিত্তিতে দুই অভিযুক্ত দিদার মুন্সী ও পারভেজ মুন্সীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশের কাছে দেওয়া তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতেই রাত ১১টার দিকে পুকুর থেকে সিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, সিয়ামের ব্যবহৃত দামী আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর অভিযুক্তরা ফোনটি নিজেদের দখলে নেয় এবং পরবর্তীতে বোয়ালিয়া গ্রামের এক ব্যক্তির কাছে মাত্র ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে চারজনের নাম প্রকাশ করেছে: ১. সাজিদ মুন্সী (পিতা: রিপন মুন্সী, বাঁশবাড়ীয়া) ২. পারভেজ মুন্সী (পিতা: টুটুল মুন্সী, বাঁশবাড়ীয়া) ৩. অভি মুন্সী (পিতা: রহমান মুন্সী, মাতা: পপি বেগম, বাঁশবাড়ীয়া) ৪. দিদার মুন্সী (পিতা: সাহিন মুন্সী, ঝুটি গ্রাম)
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে, সিয়ামের অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক ও দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন