বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলা শহরে যাত্রী ওঠানামাকে কেন্দ্র করে সিএনজি চালকদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সিএনজি চালকরা সংঘবদ্ধ হয়ে বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায়। এই সময় একটি বাস ও বাস কাউন্টারে ভাঙচুর করা হয় বলে দাবি করেছেন শ্রমিক নেতারা।
হামলার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে দুপুর ১টা থেকে জেলার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন শ্রমিকরা। সরেজমিনে ভোলা সদরের বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ডে দেখা যায়, বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন। তবে পরবর্তীতে পুলিশ এসে সড়ক থেকে বাধা সরিয়ে নিলে অন্য ছোট যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ সময় শ্রমিকরা রাস্তায় চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশাগুলো থামিয়ে বাসস্ট্যান্ডের ভেতরে আটকে রাখতে শুরু করেন, যা এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
ভোলা জেলা বাস, মিনিবাস ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, “সিএনজি শ্রমিকরা আমাদের ওপর অন্যায়ভাবে হামলা চালিয়েছে এবং কাউন্টার ভাঙচুর করেছে। এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।”
অন্যদিকে, ভোলা জেলা পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুল গনি জানান, “পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সড়ক যোগাযোগ সচল করেছে। বাস চলাচল স্বাভাবিক করতে আমরা উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলছি এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।”
হঠাৎ শুরু হওয়া এই ধর্মঘটে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দূরপাল্লার ও জরুরি কাজের যাত্রীরা। বিকল্প যানবাহনের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। অটোরিকশা ও রিকশাচালকরা এই সুযোগে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলা শহরে যাত্রী ওঠানামাকে কেন্দ্র করে সিএনজি চালকদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সিএনজি চালকরা সংঘবদ্ধ হয়ে বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায়। এই সময় একটি বাস ও বাস কাউন্টারে ভাঙচুর করা হয় বলে দাবি করেছেন শ্রমিক নেতারা।
হামলার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে দুপুর ১টা থেকে জেলার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন শ্রমিকরা। সরেজমিনে ভোলা সদরের বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ডে দেখা যায়, বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন। তবে পরবর্তীতে পুলিশ এসে সড়ক থেকে বাধা সরিয়ে নিলে অন্য ছোট যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ সময় শ্রমিকরা রাস্তায় চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশাগুলো থামিয়ে বাসস্ট্যান্ডের ভেতরে আটকে রাখতে শুরু করেন, যা এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
ভোলা জেলা বাস, মিনিবাস ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, “সিএনজি শ্রমিকরা আমাদের ওপর অন্যায়ভাবে হামলা চালিয়েছে এবং কাউন্টার ভাঙচুর করেছে। এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।”
অন্যদিকে, ভোলা জেলা পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুল গনি জানান, “পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সড়ক যোগাযোগ সচল করেছে। বাস চলাচল স্বাভাবিক করতে আমরা উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলছি এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।”
হঠাৎ শুরু হওয়া এই ধর্মঘটে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দূরপাল্লার ও জরুরি কাজের যাত্রীরা। বিকল্প যানবাহনের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। অটোরিকশা ও রিকশাচালকরা এই সুযোগে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আপনার মতামত লিখুন