সাধারণত শীতকালে দিন ছোট হওয়ায় এবং সূর্যের আলোর অভাবে ড্রাগন গাছে ফুল ও ফল আসা কমে যায়। এই সমস্যা সমাধানে ১০ বিঘা জমিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী শত শত এলইডি বাল্ব স্থাপন করেছেন আবেদুর।
উদ্যোক্তা আবেদুর রহমান জানান, ১০ বিঘা জমিতে এই প্রযুক্তিসহ বাগান সাজাতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৭০ লাখ টাকা। তবে এর বিপরীতে বছরে প্রায় ৪০ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। একবার বাগান করলে টানা ১০ বছর ফলন পাওয়া যায়। ভরা মৌসুমের চেয়ে অমৌসুমে ড্রাগন উৎপাদন করতে পারলে কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি করা যায়, যা কৃষকদের জন্য বড় আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আলোকসজ্জায় সজ্জিত এই ড্রাগন বাগান এখন শুধু কৃষিক্ষেত্র নয়, বরং দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। দর্শনার্থী রাশেদুর রহমান রাশু বলেন, সন্ধ্যা থেকে রাত যত বাড়ে, আলোর ঝলকানি তত বাড়ে। গোটা এলাকা আলোকিত হয়ে সুন্দর এক রূপ ধারণ করে।
এসব বাগানের ড্রাগন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যশোরসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। এমনকি ঢাকার ব্যবসায়ীরাও বাগান থেকে সরাসরি ড্রাগন সংগ্রহ করছেন।
শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা জানান, বর্তমানে উপজেলায় প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে ড্রাগনের আবাদ হচ্ছে। তিনি বলেন, অসময়ে ড্রাগন প্রাপ্তির জন্য কৃষকরা আর্টিফিশিয়াল লাইটিং ব্যবহার করছেন। এর ফলে তারা ভালো বাজারমূল্য পাচ্ছেন। কৃষি অফিস থেকে আমরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
সাধারণত শীতকালে দিন ছোট হওয়ায় এবং সূর্যের আলোর অভাবে ড্রাগন গাছে ফুল ও ফল আসা কমে যায়। এই সমস্যা সমাধানে ১০ বিঘা জমিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী শত শত এলইডি বাল্ব স্থাপন করেছেন আবেদুর।
উদ্যোক্তা আবেদুর রহমান জানান, ১০ বিঘা জমিতে এই প্রযুক্তিসহ বাগান সাজাতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৭০ লাখ টাকা। তবে এর বিপরীতে বছরে প্রায় ৪০ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। একবার বাগান করলে টানা ১০ বছর ফলন পাওয়া যায়। ভরা মৌসুমের চেয়ে অমৌসুমে ড্রাগন উৎপাদন করতে পারলে কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি করা যায়, যা কৃষকদের জন্য বড় আয়ের উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আলোকসজ্জায় সজ্জিত এই ড্রাগন বাগান এখন শুধু কৃষিক্ষেত্র নয়, বরং দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। দর্শনার্থী রাশেদুর রহমান রাশু বলেন, সন্ধ্যা থেকে রাত যত বাড়ে, আলোর ঝলকানি তত বাড়ে। গোটা এলাকা আলোকিত হয়ে সুন্দর এক রূপ ধারণ করে।
এসব বাগানের ড্রাগন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যশোরসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। এমনকি ঢাকার ব্যবসায়ীরাও বাগান থেকে সরাসরি ড্রাগন সংগ্রহ করছেন।
শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা জানান, বর্তমানে উপজেলায় প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে ড্রাগনের আবাদ হচ্ছে। তিনি বলেন, অসময়ে ড্রাগন প্রাপ্তির জন্য কৃষকরা আর্টিফিশিয়াল লাইটিং ব্যবহার করছেন। এর ফলে তারা ভালো বাজারমূল্য পাচ্ছেন। কৃষি অফিস থেকে আমরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন