সিলেট স্টেডিয়ামের ঘূর্ণি উইকেটে আরও একটি রূপকথার জয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের ৭ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের পকেটে পুরে নিয়েছে টাইগাররা। জয়ের পথে প্রধান বাধা হয়ে ওঠা সালমান আলি আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ১৩৪ রানের লড়াকু জুটি ভেঙে শেষ বিকেলে স্বস্তি এনে দিয়েছেন স্পিন জাদুকর তাইজুল ইসলাম।
চতুর্থ দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৬ ওভার ব্যাটিং করে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। মিরপুরের পিচে ম্যাচ বাঁচাতে বা জিততে হলে শেষ দিনে সফরকারীদের এখনো করতে হবে ১২১ রান, কিন্তু হাতে রয়েছে মাত্র ৩টি উইকেট।
এর আগে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান করে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য দিয়েছিল বাংলাদেশ। জবাবে গতকাল বিনা রানে দিন শেষ করা পাকিস্তান আজ চতুর্থ দিনে দেখেশুনেই খেলা শুরু করেছিল। তবে ইনিংসের ১১তম ওভারে পাকিস্তান শিবিরে প্রথম মরণ কামড়টি বসান গতিদানব নাহিদ রানা। রানার করা অফ স্টাম্পের বাইরের গতির বলে পরাস্ত হয়ে গালিতে মেহেদি হাসান মিরাজের হাতে সহজ ক্যাচ দেন সিলেটে অভিষিক্ত ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজল (৬)।
দলীয় ১৪ রানের ব্যবধানে আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকে (২১) আম্পায়ার্স কল-এর ফাঁদে ফেলে সাজঘরের পথ দেখান মিরাজ। ৪১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা পাকিস্তানকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন বাবর আজম ও অধিনায়ক শান মাসুদ।
বাবর ও শানের বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটিটি যখন বাংলাদেশের মাথা ব্যথার কারণ হচ্ছিল, তখনই দৃশ্যপটে আসেন তাইজুল ইসলাম। ফিফটি থেকে মাত্র ৩ রান দূরে থাকা বাবর আজমকে (৪৭) দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ফেরান তিনি। এরপর পুরো সিরিজ জুড়ে ব্যর্থ সউদ শাকিলকে (৬) নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন নাহিদ রানা।
অন্যপ্রান্তে সেঞ্চুরির দিকে এগোতে থাকা পাকিস্তানি অধিনায়ক শান মাসুদকে (৭১) মাহমুদুল হাসান জয়ের ক্যাচে পরিণত করে পাকিস্তানকে ১৬২ রানে ৫ম উইকেট হারিয়ে খাদের কিনারে ঠেলে দেন তাইজুল।
১৬২ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর মনে হচ্ছিল চতুর্থ দিনেই অল-আউট হয়ে যাবে পাকিস্তান। তবে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা মিলে দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে বাংলাদেশের বোলারদের হতাশ করতে থাকেন। তবে শেষ বিকেলে স্পিন ম্যাজিক দেখান তাইজুল। ৭১ রান করা সালমানকে বোল্ড করে ১৩৪ রানের জুটি ভাঙেন তিনি।
সালমানের বিদায়ের পর ক্রিজে আসা হাসান আলিকে (০) মাত্র ৬ বলের মাথায় স্লিপে ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে ফেরান এই বাঁহাতি স্পিনার। শেষ বিকেলে মাত্র ৮ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট তুলে নিয়ে বাঘের গর্জন তুলে ড্রেসিংরুমে ফেরে বাংলাদেশ।
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত সমীকরণ: (স্কোরবোর্ড)
বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট, পাকিস্তানের প্রয়োজন ১২১ রান।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
সিলেট স্টেডিয়ামের ঘূর্ণি উইকেটে আরও একটি রূপকথার জয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের ৭ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের পকেটে পুরে নিয়েছে টাইগাররা। জয়ের পথে প্রধান বাধা হয়ে ওঠা সালমান আলি আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ১৩৪ রানের লড়াকু জুটি ভেঙে শেষ বিকেলে স্বস্তি এনে দিয়েছেন স্পিন জাদুকর তাইজুল ইসলাম।
চতুর্থ দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৬ ওভার ব্যাটিং করে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। মিরপুরের পিচে ম্যাচ বাঁচাতে বা জিততে হলে শেষ দিনে সফরকারীদের এখনো করতে হবে ১২১ রান, কিন্তু হাতে রয়েছে মাত্র ৩টি উইকেট।
এর আগে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান করে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য দিয়েছিল বাংলাদেশ। জবাবে গতকাল বিনা রানে দিন শেষ করা পাকিস্তান আজ চতুর্থ দিনে দেখেশুনেই খেলা শুরু করেছিল। তবে ইনিংসের ১১তম ওভারে পাকিস্তান শিবিরে প্রথম মরণ কামড়টি বসান গতিদানব নাহিদ রানা। রানার করা অফ স্টাম্পের বাইরের গতির বলে পরাস্ত হয়ে গালিতে মেহেদি হাসান মিরাজের হাতে সহজ ক্যাচ দেন সিলেটে অভিষিক্ত ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজল (৬)।
দলীয় ১৪ রানের ব্যবধানে আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকে (২১) আম্পায়ার্স কল-এর ফাঁদে ফেলে সাজঘরের পথ দেখান মিরাজ। ৪১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা পাকিস্তানকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন বাবর আজম ও অধিনায়ক শান মাসুদ।
বাবর ও শানের বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটিটি যখন বাংলাদেশের মাথা ব্যথার কারণ হচ্ছিল, তখনই দৃশ্যপটে আসেন তাইজুল ইসলাম। ফিফটি থেকে মাত্র ৩ রান দূরে থাকা বাবর আজমকে (৪৭) দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ফেরান তিনি। এরপর পুরো সিরিজ জুড়ে ব্যর্থ সউদ শাকিলকে (৬) নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন নাহিদ রানা।
অন্যপ্রান্তে সেঞ্চুরির দিকে এগোতে থাকা পাকিস্তানি অধিনায়ক শান মাসুদকে (৭১) মাহমুদুল হাসান জয়ের ক্যাচে পরিণত করে পাকিস্তানকে ১৬২ রানে ৫ম উইকেট হারিয়ে খাদের কিনারে ঠেলে দেন তাইজুল।
১৬২ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর মনে হচ্ছিল চতুর্থ দিনেই অল-আউট হয়ে যাবে পাকিস্তান। তবে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা মিলে দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে বাংলাদেশের বোলারদের হতাশ করতে থাকেন। তবে শেষ বিকেলে স্পিন ম্যাজিক দেখান তাইজুল। ৭১ রান করা সালমানকে বোল্ড করে ১৩৪ রানের জুটি ভাঙেন তিনি।
সালমানের বিদায়ের পর ক্রিজে আসা হাসান আলিকে (০) মাত্র ৬ বলের মাথায় স্লিপে ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে ফেরান এই বাঁহাতি স্পিনার। শেষ বিকেলে মাত্র ৮ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট তুলে নিয়ে বাঘের গর্জন তুলে ড্রেসিংরুমে ফেরে বাংলাদেশ।
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত সমীকরণ: (স্কোরবোর্ড)
বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট, পাকিস্তানের প্রয়োজন ১২১ রান।

আপনার মতামত লিখুন