মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : সোমবার, ০১ জুন ২০২৬

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী যুবলীগের নৈরাজ্য, অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি ও অপতৎপরতার প্রতিবাদে মুকসুদপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী যুবলীগের নৈরাজ্য, অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি ও অপতৎপরতার প্রতিবাদে মুকসুদপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

সংকট মোকাবিলায় সরকার মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সংকট মোকাবিলায় সরকার মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মুকসুদপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি

মুকসুদপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি

মুকসুদপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন, হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ

মুকসুদপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন, হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ

বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ

বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ

সুস্থতার পথে গোপালগঞ্জের এমপি কেএম বাবর, দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা

সুস্থতার পথে গোপালগঞ্জের এমপি কেএম বাবর, দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা

মুকসুদপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত, প্রশাসনের উদ্যোগে বিজয় মিছিল

মুকসুদপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত, প্রশাসনের উদ্যোগে বিজয় মিছিল

মুকসুদপুরে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগের ১৬ নেতা-কর্মীর একযোগে পদত্যাগ

মুকসুদপুরে ইউপি চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগের ১৬ নেতা-কর্মীর একযোগে পদত্যাগ

১৭ বছরের রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের প্রত্যক্ষ নমুনা এই অঞ্চল; ভূমিদস্যু ও র‍্যাব ক্যাম্প ভাঙার ইন্ধনদাতাদের কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি

জঙ্গল সলিমপুরে হবে আধুনিক কারাগার ও রোড নেটওয়ার্ক, কোনো প্রকৃত বাসিন্দা উচ্ছেদ হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জঙ্গল সলিমপুরে হবে আধুনিক কারাগার ও রোড নেটওয়ার্ক, কোনো প্রকৃত বাসিন্দা উচ্ছেদ হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরে আর কোনো সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি ঘোষণা করেছেন, এই দুর্ভেদ্য অঞ্চলে একটি আধুনিক কারাগার স্থাপন করা হবে এবং একে ঘিরে গড়ে তোলা হবে শক্তিশালী রোড নেটওয়ার্ক।

গত রবিবার (৩১ মে) সকালে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত ১৭ বছরের দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি বা রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের ভেতরে এক ধরনের দুর্বৃত্তের রাষ্ট্র গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল, যার একটি প্রত্যক্ষ নমুনা হচ্ছে এই জঙ্গল সলিমপুর। তিনি জানান, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চট্টগ্রামে কিছু ব্যবসায়ী ও তাদের বাসভবনে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গুলি বর্ষণ এবং চাঁদা আদায়ের মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়। সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে অপরাধীদের অবদমন করতে গত ৯ মার্চ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সমন্বিত যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জঙ্গল সলিমপুরে সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিজস্ব পাহারা বসিয়ে সন্ত্রাসীরা যে সমান্তরাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি করেছিল, তা যৌথ অভিযানের মাধ্যমে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তথ্য ফাঁসের কারণে অভিযানের মূল লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি স্বীকার করেন। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে র‍্যাবের নির্মাণাধীন ক্যাম্প বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার মতো দুঃসাহস সন্ত্রাসীরা কীভাবে পেল—তা কঠোরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এর পেছনে থাকা ভূমিদস্যু ও মূল ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।


জঙ্গল সলিমপুরের সাধারণ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের সরকার। জনগণকে স্বস্তি ও নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের মূল লক্ষ্য। বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কারণে যারা এখানে এসে বসতি স্থাপন করতে বাধ্য হয়েছেন, তাদের কাউকেই আপাতত উচ্ছেদ করা হবে না। প্রকৃত বাসিন্দাদের টেকসই পুনর্বাসনের জন্য সরকার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করবে জানিয়ে তিনি উচ্ছেদ সংক্রান্ত যেকোনো অপপ্রচারে কান না দিয়ে সরাসরি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানান।

অঞ্চলের আধুনিকায়নের রূপরেখা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, সলিমপুর ইউনিয়নের সঙ্গে সীতাকুণ্ড, ভাটিয়ারী-হাটহাজারী লিংক রোড এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সংযোগ ঘটিয়ে একটি আধুনিক রোড নেটওয়ার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ড্রোন চিত্র ও সড়ক মানচিত্র পর্যালোচনা করে এই অঞ্চলে পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সেনানিবাসের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির কাজ চলছে। এছাড়া বায়েজিদ লিংকের আশপাশে খাস জমিতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের ঝুলে থাকা প্রকল্পটি প্রশাসনিক অনুমোদনের আলোকে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সলিমপুরের পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ বেতুয়া ও চা বাগান এলাকা থেকেও সন্ত্রাসীদের চিরতরে নির্মূল করা হবে।

দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে গণমাধ্যমকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিষয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুর কারাগার

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


জঙ্গল সলিমপুরে হবে আধুনিক কারাগার ও রোড নেটওয়ার্ক, কোনো প্রকৃত বাসিন্দা উচ্ছেদ হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরে আর কোনো সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি ঘোষণা করেছেন, এই দুর্ভেদ্য অঞ্চলে একটি আধুনিক কারাগার স্থাপন করা হবে এবং একে ঘিরে গড়ে তোলা হবে শক্তিশালী রোড নেটওয়ার্ক।

গত রবিবার (৩১ মে) সকালে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত ১৭ বছরের দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি বা রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের ভেতরে এক ধরনের দুর্বৃত্তের রাষ্ট্র গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল, যার একটি প্রত্যক্ষ নমুনা হচ্ছে এই জঙ্গল সলিমপুর। তিনি জানান, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চট্টগ্রামে কিছু ব্যবসায়ী ও তাদের বাসভবনে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গুলি বর্ষণ এবং চাঁদা আদায়ের মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়। সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে অপরাধীদের অবদমন করতে গত ৯ মার্চ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সমন্বিত যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জঙ্গল সলিমপুরে সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিজস্ব পাহারা বসিয়ে সন্ত্রাসীরা যে সমান্তরাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি করেছিল, তা যৌথ অভিযানের মাধ্যমে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তথ্য ফাঁসের কারণে অভিযানের মূল লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি স্বীকার করেন। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে র‍্যাবের নির্মাণাধীন ক্যাম্প বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার মতো দুঃসাহস সন্ত্রাসীরা কীভাবে পেল—তা কঠোরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এর পেছনে থাকা ভূমিদস্যু ও মূল ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।


জঙ্গল সলিমপুরের সাধারণ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের সরকার। জনগণকে স্বস্তি ও নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের মূল লক্ষ্য। বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কারণে যারা এখানে এসে বসতি স্থাপন করতে বাধ্য হয়েছেন, তাদের কাউকেই আপাতত উচ্ছেদ করা হবে না। প্রকৃত বাসিন্দাদের টেকসই পুনর্বাসনের জন্য সরকার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করবে জানিয়ে তিনি উচ্ছেদ সংক্রান্ত যেকোনো অপপ্রচারে কান না দিয়ে সরাসরি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানান।

অঞ্চলের আধুনিকায়নের রূপরেখা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, সলিমপুর ইউনিয়নের সঙ্গে সীতাকুণ্ড, ভাটিয়ারী-হাটহাজারী লিংক রোড এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সংযোগ ঘটিয়ে একটি আধুনিক রোড নেটওয়ার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ড্রোন চিত্র ও সড়ক মানচিত্র পর্যালোচনা করে এই অঞ্চলে পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সেনানিবাসের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির কাজ চলছে। এছাড়া বায়েজিদ লিংকের আশপাশে খাস জমিতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের ঝুলে থাকা প্রকল্পটি প্রশাসনিক অনুমোদনের আলোকে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সলিমপুরের পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ বেতুয়া ও চা বাগান এলাকা থেকেও সন্ত্রাসীদের চিরতরে নির্মূল করা হবে।

দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে গণমাধ্যমকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো