১৯৮৬ সালে স্থানীয়রা মাদ্রাসার জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে প্রথম প্রাচীন ইটের গাঁথুনি খুঁজে পান। পরবর্তীতে ২০০৪-০৫ অর্থবছরে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে খনন শুরু করলে বেরিয়ে আসে এক বিশাল মন্দিরের অস্তিত্ব। চার বছরের নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টায় মোট ১৮টি কক্ষ এবং গর্ভগৃহের ভেতরে ছোট-বড় ২৪টি কক্ষ আবিষ্কৃত হয়। প্রত্নতত্ত্ববিদদের মতে, এই মন্দিরটি মূলত দুটি পৃথক যুগে নির্মিত এবং সম্প্রসারিত হয়েছিল।
এই প্রত্নস্থলটি এক বিরল নিদর্শন, যেখানে তিনটি ভিন্ন ধর্ম ও সভ্যতার ছাপ পাওয়া যায়:
প্রবীণদের মতে, এক সময় এই ঢিবির ওপর দিয়ে হাঁটার সময় মাটির নিচ থেকে ‘গুম গুম’ বা ‘দমদম’ শব্দ পাওয়া যেত, যা থেকেই এর নামকরণ। এই ঢিবিকে ঘিরে রয়েছে নানা লোককথা:
বর্তমানে এই প্রত্নস্থলটি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। গবেষকদের মতে, বৌদ্ধ, জৈন এবং মুসলিম ঐতিহ্যের এমন সহাবস্থান বাংলাদেশে বিরল। ৮০ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস জানান, শৈশবে তারা এই ঢিবিকে ভয় পেতেন এবং এর নিচে ‘সোনার শহর’ আছে বলে বিশ্বাস করতেন। সরকারিভাবে একে পূর্ণাঙ্গ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হলে এটি দেশের অন্যতম সেরা হেরিটেজ সাইট হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
১৯৮৬ সালে স্থানীয়রা মাদ্রাসার জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে প্রথম প্রাচীন ইটের গাঁথুনি খুঁজে পান। পরবর্তীতে ২০০৪-০৫ অর্থবছরে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে খনন শুরু করলে বেরিয়ে আসে এক বিশাল মন্দিরের অস্তিত্ব। চার বছরের নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টায় মোট ১৮টি কক্ষ এবং গর্ভগৃহের ভেতরে ছোট-বড় ২৪টি কক্ষ আবিষ্কৃত হয়। প্রত্নতত্ত্ববিদদের মতে, এই মন্দিরটি মূলত দুটি পৃথক যুগে নির্মিত এবং সম্প্রসারিত হয়েছিল।
এই প্রত্নস্থলটি এক বিরল নিদর্শন, যেখানে তিনটি ভিন্ন ধর্ম ও সভ্যতার ছাপ পাওয়া যায়:
প্রবীণদের মতে, এক সময় এই ঢিবির ওপর দিয়ে হাঁটার সময় মাটির নিচ থেকে ‘গুম গুম’ বা ‘দমদম’ শব্দ পাওয়া যেত, যা থেকেই এর নামকরণ। এই ঢিবিকে ঘিরে রয়েছে নানা লোককথা:
বর্তমানে এই প্রত্নস্থলটি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। গবেষকদের মতে, বৌদ্ধ, জৈন এবং মুসলিম ঐতিহ্যের এমন সহাবস্থান বাংলাদেশে বিরল। ৮০ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস জানান, শৈশবে তারা এই ঢিবিকে ভয় পেতেন এবং এর নিচে ‘সোনার শহর’ আছে বলে বিশ্বাস করতেন। সরকারিভাবে একে পূর্ণাঙ্গ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হলে এটি দেশের অন্যতম সেরা হেরিটেজ সাইট হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন