সকাল থেকেই লৌহজং উপজেলার মাওয়া টোল প্লাজায় যানবাহনের চাপ ছিল স্বাভাবিক। বড় যানবাহনের জন্য ৭টি এবং মোটরসাইকেলের জন্য ৩টি আলাদা লেন চালু থাকায় টোল দিতে সময় লাগছে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। চালক ও যাত্রীদের চোখে-মুখে এখন আর ক্লান্তির ছাপ নেই, বরং প্রিয়জনের সাথে ঈদ করার আনন্দই প্রধান হয়ে উঠেছে।
বরিশালগামী যাত্রী মো. রাসেল হাওলাদার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, আগে এই সময়ে মাওয়া আসতেই জান বের হয়ে যেত। আজ ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে সরাসরি সেতুতে উঠে গেলাম। কোনো জ্যাম নেই, ভাবতেই অবাক লাগছে! তবে সেতুর উত্তর থানার সামনে গাড়ির কিছুটা সংকটের কারণে কিছু যাত্রীকে ট্রাক বা পিকআপে চড়েও ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
পদ্মা উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মো. আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, পুরো এক্সপ্রেসওয়ে এবং সেতু এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেজন্য আমরা সার্বক্ষণিক কাজ করছি। কোনো ধরনের হয়রানি বরদাশত করা হবে না।
শান্তিপূর্ণ এই যাত্রা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকলে এবারের ঈদযাত্রা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
সকাল থেকেই লৌহজং উপজেলার মাওয়া টোল প্লাজায় যানবাহনের চাপ ছিল স্বাভাবিক। বড় যানবাহনের জন্য ৭টি এবং মোটরসাইকেলের জন্য ৩টি আলাদা লেন চালু থাকায় টোল দিতে সময় লাগছে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। চালক ও যাত্রীদের চোখে-মুখে এখন আর ক্লান্তির ছাপ নেই, বরং প্রিয়জনের সাথে ঈদ করার আনন্দই প্রধান হয়ে উঠেছে।
বরিশালগামী যাত্রী মো. রাসেল হাওলাদার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, আগে এই সময়ে মাওয়া আসতেই জান বের হয়ে যেত। আজ ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে সরাসরি সেতুতে উঠে গেলাম। কোনো জ্যাম নেই, ভাবতেই অবাক লাগছে! তবে সেতুর উত্তর থানার সামনে গাড়ির কিছুটা সংকটের কারণে কিছু যাত্রীকে ট্রাক বা পিকআপে চড়েও ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
পদ্মা উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মো. আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, পুরো এক্সপ্রেসওয়ে এবং সেতু এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেজন্য আমরা সার্বক্ষণিক কাজ করছি। কোনো ধরনের হয়রানি বরদাশত করা হবে না।
শান্তিপূর্ণ এই যাত্রা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকলে এবারের ঈদযাত্রা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন