১. লো-গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (Low GI): স্ট্রবেরি নিম্ন-জিআই (Glycemic Index) ক্যাটাগরির ফল। এর মানে হলো, এটি খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বেড়ে যায় না। তাই সুগার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এটি একটি আদর্শ ফল।
২. উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ: এক কাপ স্ট্রবেরিতে প্রায় ১১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণ ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখার অনুভূতি দেয়।
৩. শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: স্ট্রবেরিতে রয়েছে ভিটামিন-সি এবং অ্যান্থোসায়ানিন। ‘অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস’ জার্নালে প্রকাশিত তথ্যমতে, এটি শরীরে প্রদাহ কমাতে এবং কোষের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস দূর করতে কার্যকর, যা ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
ওকলাহোমা মেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ২০২৫ সালের একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রি-ডায়াবেটিস বা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে আছেন, তারা প্রতিদিন নিয়ম করে স্ট্রবেরি খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা উন্নত হয়। ১২ সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন এক কাপ স্ট্রবেরি গ্রহণে অংশগ্রহণকারীদের স্বাস্থ্যের উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।
পুষ্টিবিদদের মতে, স্ট্রবেরি উপকারী হলেও তা খেতে হবে পরিমিত। সরাসরি ফল হিসেবে খাওয়া সবচেয়ে ভালো। স্ট্রবেরি শেক বা চিনিযুক্ত জুস হিসেবে খেলে এর উপকারিতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
১. লো-গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (Low GI): স্ট্রবেরি নিম্ন-জিআই (Glycemic Index) ক্যাটাগরির ফল। এর মানে হলো, এটি খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বেড়ে যায় না। তাই সুগার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এটি একটি আদর্শ ফল।
২. উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ: এক কাপ স্ট্রবেরিতে প্রায় ১১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণ ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখার অনুভূতি দেয়।
৩. শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: স্ট্রবেরিতে রয়েছে ভিটামিন-সি এবং অ্যান্থোসায়ানিন। ‘অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস’ জার্নালে প্রকাশিত তথ্যমতে, এটি শরীরে প্রদাহ কমাতে এবং কোষের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস দূর করতে কার্যকর, যা ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
ওকলাহোমা মেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ২০২৫ সালের একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রি-ডায়াবেটিস বা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে আছেন, তারা প্রতিদিন নিয়ম করে স্ট্রবেরি খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা উন্নত হয়। ১২ সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন এক কাপ স্ট্রবেরি গ্রহণে অংশগ্রহণকারীদের স্বাস্থ্যের উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।
পুষ্টিবিদদের মতে, স্ট্রবেরি উপকারী হলেও তা খেতে হবে পরিমিত। সরাসরি ফল হিসেবে খাওয়া সবচেয়ে ভালো। স্ট্রবেরি শেক বা চিনিযুক্ত জুস হিসেবে খেলে এর উপকারিতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন