গোপালগঞ্জ শহরের মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চরম অনিয়মের অভিযোগে দুইটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। যথাযথ নিয়ম না মেনে মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার প্রমাণ মেলায় এই জরিমানা করা হয়।
আজ বুধবার (১০ জুন) চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮-এর আওতায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. ফয়জুল বারী।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় সরকারি বিধিমালার নির্ধারিত নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ না করায় মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার-কে পৃথকভাবে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান চলাকালে অনেক হাসপাতালেই বর্জ্য অপসারণ ও সংরক্ষণে চরম অবহেলার চিত্র চোখে পড়ে।
জরিমানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষকে চিকিৎসা বর্জ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, নিরাপদ পরিবহন ও অপসারণের ক্ষেত্রে সরকারি বিধি-বিধান কঠোরভাবে অনুসরণের চূড়ান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা বাস্তবায়নে এ ধরনের ঝটিকা অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জ শহরের মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চরম অনিয়মের অভিযোগে দুইটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। যথাযথ নিয়ম না মেনে মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য যত্রতত্র ফেলার প্রমাণ মেলায় এই জরিমানা করা হয়।
আজ বুধবার (১০ জুন) চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮-এর আওতায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. ফয়জুল বারী।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে মেডিকেল কলেজ রোড এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় সরকারি বিধিমালার নির্ধারিত নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ না করায় মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং নিউ স্কয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার-কে পৃথকভাবে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান চলাকালে অনেক হাসপাতালেই বর্জ্য অপসারণ ও সংরক্ষণে চরম অবহেলার চিত্র চোখে পড়ে।
জরিমানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষকে চিকিৎসা বর্জ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, নিরাপদ পরিবহন ও অপসারণের ক্ষেত্রে সরকারি বিধি-বিধান কঠোরভাবে অনুসরণের চূড়ান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা বাস্তবায়নে এ ধরনের ঝটিকা অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন