গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে স্কুল ও কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াত সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করতে এক নজিরবিহীন ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। মুকসুদপুর বরইতলা কাশিয়ানী বাস মালিক সমিতির বিশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে এই রুটে চলাচলকারী বাসে শিক্ষার্থীরা যে দূরত্ব থেকেই উঠুক না কেন, তাদের জন্য একমুখী ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৫ টাকা।
পরিবহন মালিক সমিতির এই সিদ্ধান্তের ফলে স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় সাধারণ শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মনে।
সাধারণত দূরত্ব বাড়ার সাথে সাথে বাসের ভাড়ার অঙ্কও বাড়তে থাকে, যা অনেক সময় দূর-দূরান্ত থেকে আসা দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় অর্থনৈতিক বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উদ্বুদ্ধ করতে এবং যাতায়াতের কষ্ট লাঘব করতে এই নিয়মে পরিবর্তন এনেছে মালিক সমিতি।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বরইতলা থেকে মুকসুদপুরগামী লোকাল বা দূরপাল্লার বাসে শিক্ষার্থীরা তাদের নির্দিষ্ট স্টপেজ থেকে যেখান থেকেই বাসে উঠুক না কেন, তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো ভাড়া দাবি করা হবে না। পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) বা স্কুল-কলেজের ইউনিফর্ম প্রদর্শন সাপেক্ষে মাত্র ৫ টাকা ভাড়ায় তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে।
মালিক সমিতির এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মুকসুদপুরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। স্থানীয় অভিভাবকেরা জানান, বর্তমানের বাজারে যেখানে যাতায়াত খরচ প্রতিনিয়ত বাড়ছে, সেখানে মাত্র ৫ টাকায় সন্তানদের স্কুল-কলেজে পাঠানোর সুযোগ করে দেওয়াটা সত্যিই এক দারুণ স্বস্তির খবর। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতির হার আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার পরিবেশকে বেগবান করতেই কোনো প্রকার ব্যবসায়িক লাভ চিন্তা না করে এই বিশেষ হাফ-ভাড়া বা নামমাত্র ভাড়া নির্ধারণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে স্কুল ও কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াত সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করতে এক নজিরবিহীন ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। মুকসুদপুর বরইতলা কাশিয়ানী বাস মালিক সমিতির বিশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে এই রুটে চলাচলকারী বাসে শিক্ষার্থীরা যে দূরত্ব থেকেই উঠুক না কেন, তাদের জন্য একমুখী ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৫ টাকা।
পরিবহন মালিক সমিতির এই সিদ্ধান্তের ফলে স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় সাধারণ শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মনে।
সাধারণত দূরত্ব বাড়ার সাথে সাথে বাসের ভাড়ার অঙ্কও বাড়তে থাকে, যা অনেক সময় দূর-দূরান্ত থেকে আসা দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় অর্থনৈতিক বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উদ্বুদ্ধ করতে এবং যাতায়াতের কষ্ট লাঘব করতে এই নিয়মে পরিবর্তন এনেছে মালিক সমিতি।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বরইতলা থেকে মুকসুদপুরগামী লোকাল বা দূরপাল্লার বাসে শিক্ষার্থীরা তাদের নির্দিষ্ট স্টপেজ থেকে যেখান থেকেই বাসে উঠুক না কেন, তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো ভাড়া দাবি করা হবে না। পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) বা স্কুল-কলেজের ইউনিফর্ম প্রদর্শন সাপেক্ষে মাত্র ৫ টাকা ভাড়ায় তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে।
মালিক সমিতির এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মুকসুদপুরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। স্থানীয় অভিভাবকেরা জানান, বর্তমানের বাজারে যেখানে যাতায়াত খরচ প্রতিনিয়ত বাড়ছে, সেখানে মাত্র ৫ টাকায় সন্তানদের স্কুল-কলেজে পাঠানোর সুযোগ করে দেওয়াটা সত্যিই এক দারুণ স্বস্তির খবর। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতির হার আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার পরিবেশকে বেগবান করতেই কোনো প্রকার ব্যবসায়িক লাভ চিন্তা না করে এই বিশেষ হাফ-ভাড়া বা নামমাত্র ভাড়া নির্ধারণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন