মানববন্ধনে নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান, পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো নিরাপদ জায়গায় নিজ কক্ষে একজন শিক্ষককে নৃশংসভাবে হত্যা করা পুরো শিক্ষক সমাজের জন্য এক চরম কলঙ্ক ও উদ্বেগের বিষয়। তারা দ্রুততম সময়ে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে সকল আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
গত ৪ মার্চ বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের নিজ কক্ষ থেকে আসমা সাদিয়া রুনার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই কক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনহাজিরার কর্মচারী ফজলুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে আহত ফজলুর রহমান হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এই ঘটনায় নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান বাদী হয়ে কর্মচারী ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে এবং সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানসহ সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ প্রধান আসামি ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখালেও মামলার এজাহারভুক্ত অন্যান্য আসামিরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। মানববন্ধন থেকে পলাতক আসামিদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
মানববন্ধনে নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান, পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো নিরাপদ জায়গায় নিজ কক্ষে একজন শিক্ষককে নৃশংসভাবে হত্যা করা পুরো শিক্ষক সমাজের জন্য এক চরম কলঙ্ক ও উদ্বেগের বিষয়। তারা দ্রুততম সময়ে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে সকল আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
গত ৪ মার্চ বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের নিজ কক্ষ থেকে আসমা সাদিয়া রুনার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই কক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনহাজিরার কর্মচারী ফজলুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে আহত ফজলুর রহমান হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এই ঘটনায় নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান বাদী হয়ে কর্মচারী ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে এবং সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমানসহ সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ প্রধান আসামি ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখালেও মামলার এজাহারভুক্ত অন্যান্য আসামিরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। মানববন্ধন থেকে পলাতক আসামিদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন