একটি কল্যাণমুখী মানবিক রাষ্ট্র গঠন এবং জনগণের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক অনুভূতি পুনরায় জাগিয়ে তুলতে দেশের গণমাধ্যমের আন্তরিক সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার নির্বাহী ও বার্তাপ্রধানদের সাথে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় দেশ গড়ার কাজে প্রধানমন্ত্রী এই সহযোগিতা কামনা করেন। দুপুর পৌনে ২টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত দীর্ঘ এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন— আমরা চাই না হাটে, ঘাটে, মাঠে সব সময় কেবল রাজনীতি নিয়েই কথা বলব। রাজনীতির বাইরেও সমাজ ও রাষ্ট্রের অনেক দায়িত্ব রয়েছে।
সমাজে মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রেস সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী গভীর আক্ষেপের সাথে একটি কথা বলেছেন যে— একটি কুকুরকে মারা হচ্ছে, কিংবা একজন মানুষকে মেরে ফেলা হচ্ছে, আর আমরা চারপাশের মানুষ বসে বসে তা মোবাইলে ভিডিও করছি! আমাদের ভেতরের এই যে মানবিক অনুভূতি ও মূল্যবোধের অভাব, এগুলোকে আবার জাগিয়ে তোলা দরকার। সামাজিক বোধগুলো জাগ্রত করার এই মহৎ ব্যাপারে সাংবাদিকদের অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
সালেহ শিবলী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের কথা শুনেছেন এবং তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, আগামী দিনগুলোতেও তিনি নিয়মিত মিডিয়ার সাথে এভাবেই কথা বলবেন ও মতবিনিময় করবেন।
এই মতবিনিময় সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক মিডিয়ার নির্বাহী ও বার্তাপ্রধানরা অংশ নেন এবং গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন। সভায় বক্তব্য রাখেন— বাংলাভিশনের আবদুল হাই সিদ্দিকী, সময় টিভি’র জুবায়ের বাবু, ডিবিসি’র লোটন ইকরাম, মোহনা টেলিভিশনের রাশেদুল হক, একাত্তর টেলিভিশনের শফিক আহমেদ, জিটিভি’র গাউসুল আজম বিপু, দেশ টিভি’র মহিউদ্দীন, নিউজ টোয়েন্টিফোরের শরিফুল ইসলাম, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জহিরুল আলম, যমুনা টিভি’র ফাহিম আহমেদ, নাগরিক টিভি’র ইরফানুল হক নাহিদ, আরটিভি’র ইলিয়াস হোসেন ও বাংলা টিভি’র এম এম বাদশা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। মতবিনিময় সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী মিডিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক নৈশভোজতুল্য মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়ন করেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন— তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ও মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
একটি কল্যাণমুখী মানবিক রাষ্ট্র গঠন এবং জনগণের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক অনুভূতি পুনরায় জাগিয়ে তুলতে দেশের গণমাধ্যমের আন্তরিক সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার নির্বাহী ও বার্তাপ্রধানদের সাথে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় দেশ গড়ার কাজে প্রধানমন্ত্রী এই সহযোগিতা কামনা করেন। দুপুর পৌনে ২টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত দীর্ঘ এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন— আমরা চাই না হাটে, ঘাটে, মাঠে সব সময় কেবল রাজনীতি নিয়েই কথা বলব। রাজনীতির বাইরেও সমাজ ও রাষ্ট্রের অনেক দায়িত্ব রয়েছে।
সমাজে মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রেস সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী গভীর আক্ষেপের সাথে একটি কথা বলেছেন যে— একটি কুকুরকে মারা হচ্ছে, কিংবা একজন মানুষকে মেরে ফেলা হচ্ছে, আর আমরা চারপাশের মানুষ বসে বসে তা মোবাইলে ভিডিও করছি! আমাদের ভেতরের এই যে মানবিক অনুভূতি ও মূল্যবোধের অভাব, এগুলোকে আবার জাগিয়ে তোলা দরকার। সামাজিক বোধগুলো জাগ্রত করার এই মহৎ ব্যাপারে সাংবাদিকদের অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
সালেহ শিবলী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের কথা শুনেছেন এবং তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, আগামী দিনগুলোতেও তিনি নিয়মিত মিডিয়ার সাথে এভাবেই কথা বলবেন ও মতবিনিময় করবেন।
এই মতবিনিময় সভায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক মিডিয়ার নির্বাহী ও বার্তাপ্রধানরা অংশ নেন এবং গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন। সভায় বক্তব্য রাখেন— বাংলাভিশনের আবদুল হাই সিদ্দিকী, সময় টিভি’র জুবায়ের বাবু, ডিবিসি’র লোটন ইকরাম, মোহনা টেলিভিশনের রাশেদুল হক, একাত্তর টেলিভিশনের শফিক আহমেদ, জিটিভি’র গাউসুল আজম বিপু, দেশ টিভি’র মহিউদ্দীন, নিউজ টোয়েন্টিফোরের শরিফুল ইসলাম, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জহিরুল আলম, যমুনা টিভি’র ফাহিম আহমেদ, নাগরিক টিভি’র ইরফানুল হক নাহিদ, আরটিভি’র ইলিয়াস হোসেন ও বাংলা টিভি’র এম এম বাদশা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। মতবিনিময় সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী মিডিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক নৈশভোজতুল্য মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়ন করেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন— তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ও মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

আপনার মতামত লিখুন