বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “সম্প্রতি ১২০ বছরের পুরোনো একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখেছি, সেখানে ধারণক্ষমতার চেয়ে তিনগুণ বেশি রোগীকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। জনসংখ্যার তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা এখনো কম। তবে আমরা বসে নেই, মাত্র সাত দিন আগেও একদল নতুন চিকিৎসক যোগদান করেছেন এবং প্রতিবছর এই নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও জানান, কেবল চিকিৎসক নয়, নার্স ও টেকনিশিয়ানেরও বড় ঘাটতি রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগের পাশাপাশি আউটসোর্সিং পদ্ধতিও চালু করা হচ্ছে।
সরকারি ওষুধ বাইরে বিক্রি হওয়া ঠেকাতে যুগান্তকারী এক পদক্ষেপের কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, “সরকারি ওষুদে এবার বিশেষ চিহ্ন দেওয়া হবে। এতে করে কোনো ফার্মেসিতে সরকারি ওষুধ পাওয়া গেলে তা সহজে শনাক্ত করা যাবে। যদি কোনো দোকানে এমন ওষুধ পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
হাসপাতালে রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “সবাই রাজনীতি করতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে চিকিৎসাসেবায় কোনো প্রভাব পড়তে দেওয়া হবে না। আমার কাজের ক্ষেত্রে রাজনীতি কোনোভাবেই বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।”
জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তিনি বেসরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সহযোগিতা কামনা করেন। সরকারের এই আন্তরিক প্রচেষ্টায় দেশের স্বাস্থ্যসেবা শিগগিরই আরও উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “সম্প্রতি ১২০ বছরের পুরোনো একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখেছি, সেখানে ধারণক্ষমতার চেয়ে তিনগুণ বেশি রোগীকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। জনসংখ্যার তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা এখনো কম। তবে আমরা বসে নেই, মাত্র সাত দিন আগেও একদল নতুন চিকিৎসক যোগদান করেছেন এবং প্রতিবছর এই নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও জানান, কেবল চিকিৎসক নয়, নার্স ও টেকনিশিয়ানেরও বড় ঘাটতি রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগের পাশাপাশি আউটসোর্সিং পদ্ধতিও চালু করা হচ্ছে।
সরকারি ওষুধ বাইরে বিক্রি হওয়া ঠেকাতে যুগান্তকারী এক পদক্ষেপের কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, “সরকারি ওষুদে এবার বিশেষ চিহ্ন দেওয়া হবে। এতে করে কোনো ফার্মেসিতে সরকারি ওষুধ পাওয়া গেলে তা সহজে শনাক্ত করা যাবে। যদি কোনো দোকানে এমন ওষুধ পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
হাসপাতালে রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “সবাই রাজনীতি করতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে চিকিৎসাসেবায় কোনো প্রভাব পড়তে দেওয়া হবে না। আমার কাজের ক্ষেত্রে রাজনীতি কোনোভাবেই বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।”
জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তিনি বেসরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সহযোগিতা কামনা করেন। সরকারের এই আন্তরিক প্রচেষ্টায় দেশের স্বাস্থ্যসেবা শিগগিরই আরও উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন