জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ খুইয়েছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ ওয়ানডেতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াল মেহেদী হাসান মিরাজের দল। প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ১৯৯ রানে অলআউট হয়। জবাবে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩৫.২ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। এই জয়ের ফলে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে জিতলো জিম্বাবুয়ে।
হারারের মাঠে আজ টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরু থেকেই জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের চেপে ধরেন সফরকারী বোলাররা। বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং স্পেল উপহার দেন পেসার শরীফুল ইসলাম। তিনি ৪৪ রান খরচ করে একাই তুলে নেন ৪টি উইকেট। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম নেন ২টি করে উইকেট। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন ওয়েসলি মাধেভেরে এবং শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স করেন ৫০ রান। বাকি ব্যাটাররা থিতু হতে না পারায় ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস।
২০০ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। উদ্বোধনী জুটিতেই এই দুজন যোগ করেন ১৫২ রান, যা বাংলাদেশের জয়কে একেবারে সহজ করে দেয়। সৌম্য সরকার ৮২ বলে ৬৯ রান করে আউট হলেও অন্যপ্রান্তে অনবদ্য ব্যাটিং চালিয়ে যান তরুণ ওপেনার তানজিদ তামিম।
ম্যাচের শেষভাগে তানজিদ তামিম যখন সেঞ্চুরির কাছাকাছি, তখন এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। তামিমকে সেঞ্চুরি করানোর সুযোগ দিতে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত উইকেটে এসে পুরো একটি ওভার কোনো রান না নিয়ে কেবল ডিফেন্স করে খেলেন। তবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, পরের ওভারের প্রথম বলেই বড় শট খেলতে গিয়ে ব্যক্তিগত ৯৪ রানে ক্যাচ আউট হন ১০১ বল খেলা এই বাঁ-হাতি ওপেনার। মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ নিয়ে তামিম মাঠ ছাড়লেও এরপর বাকি পথ অনায়াসে পাড়ি দিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
বিষয় : বাংলাদেশ ক্রিকেট

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ খুইয়েছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ ওয়ানডেতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াল মেহেদী হাসান মিরাজের দল। প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ১৯৯ রানে অলআউট হয়। জবাবে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩৫.২ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। এই জয়ের ফলে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে জিতলো জিম্বাবুয়ে।
হারারের মাঠে আজ টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরু থেকেই জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের চেপে ধরেন সফরকারী বোলাররা। বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং স্পেল উপহার দেন পেসার শরীফুল ইসলাম। তিনি ৪৪ রান খরচ করে একাই তুলে নেন ৪টি উইকেট। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম নেন ২টি করে উইকেট। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন ওয়েসলি মাধেভেরে এবং শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স করেন ৫০ রান। বাকি ব্যাটাররা থিতু হতে না পারায় ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস।
২০০ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। উদ্বোধনী জুটিতেই এই দুজন যোগ করেন ১৫২ রান, যা বাংলাদেশের জয়কে একেবারে সহজ করে দেয়। সৌম্য সরকার ৮২ বলে ৬৯ রান করে আউট হলেও অন্যপ্রান্তে অনবদ্য ব্যাটিং চালিয়ে যান তরুণ ওপেনার তানজিদ তামিম।
ম্যাচের শেষভাগে তানজিদ তামিম যখন সেঞ্চুরির কাছাকাছি, তখন এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। তামিমকে সেঞ্চুরি করানোর সুযোগ দিতে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত উইকেটে এসে পুরো একটি ওভার কোনো রান না নিয়ে কেবল ডিফেন্স করে খেলেন। তবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, পরের ওভারের প্রথম বলেই বড় শট খেলতে গিয়ে ব্যক্তিগত ৯৪ রানে ক্যাচ আউট হন ১০১ বল খেলা এই বাঁ-হাতি ওপেনার। মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ নিয়ে তামিম মাঠ ছাড়লেও এরপর বাকি পথ অনায়াসে পাড়ি দিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

আপনার মতামত লিখুন