গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে 'গোপালগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশন'-এর কার্যক্রম খুব শিগগিরই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে কাশিয়ানী উপজেলায় গোপালগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য ফাউন্ডেশনের সার্বিক অগ্রগতি, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের সার্বিক খোঁজখবর নেন। পরে তিনি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় নির্ধারিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দ্রুত কাজ এগিয়ে নেওয়া এবং দ্রুততম সময়ে সেবাদান কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, গোপালগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনের কাজ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। খুব শিগগিরই এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চালু করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে গোপালগঞ্জের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন জেলার মানুষও নিজ এলাকার কাছেই উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
স্থানীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতা ও মানুষের কষ্টের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হৃদরোগের উন্নত ও জরুরি চিকিৎসার জন্য এ অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক রোগীকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের দূরদূরান্তের হাসপাতালে ছুটতে হয়। এতে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের প্রচুর অর্থ ও সময় ব্যয়ের পাশাপাশি সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। স্থানীয় পর্যায়ে বিশ্বমানের হৃদরোগ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকাংশেই কমে আসবে।
এমপি সেলিমুজ্জামান সেলিম আরও আশ্বাস দেন যে, গোপালগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনকে একটি সর্বাধুনিক ও জনবান্ধব চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের সমন্বয়ে কাজ চালানো হচ্ছে।
জেলা পর্যায়ে একটি বিশেষায়িত হৃদরোগ হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিন ধরেই অনুভূত হচ্ছিল। কাশিয়ানীতে এটি বাস্তবায়িত হতে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হলে জরুরি মুহূর্তে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীরা দ্রুততম সময়ে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসাসেবা পাবেন।
স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রম চালু হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই অঞ্চলে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবায় এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে 'গোপালগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশন'-এর কার্যক্রম খুব শিগগিরই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে কাশিয়ানী উপজেলায় গোপালগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য ফাউন্ডেশনের সার্বিক অগ্রগতি, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের সার্বিক খোঁজখবর নেন। পরে তিনি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় নির্ধারিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দ্রুত কাজ এগিয়ে নেওয়া এবং দ্রুততম সময়ে সেবাদান কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, গোপালগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনের কাজ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। খুব শিগগিরই এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চালু করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে গোপালগঞ্জের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন জেলার মানুষও নিজ এলাকার কাছেই উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
স্থানীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতা ও মানুষের কষ্টের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হৃদরোগের উন্নত ও জরুরি চিকিৎসার জন্য এ অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক রোগীকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের দূরদূরান্তের হাসপাতালে ছুটতে হয়। এতে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের প্রচুর অর্থ ও সময় ব্যয়ের পাশাপাশি সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। স্থানীয় পর্যায়ে বিশ্বমানের হৃদরোগ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকাংশেই কমে আসবে।
এমপি সেলিমুজ্জামান সেলিম আরও আশ্বাস দেন যে, গোপালগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনকে একটি সর্বাধুনিক ও জনবান্ধব চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের সমন্বয়ে কাজ চালানো হচ্ছে।
জেলা পর্যায়ে একটি বিশেষায়িত হৃদরোগ হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিন ধরেই অনুভূত হচ্ছিল। কাশিয়ানীতে এটি বাস্তবায়িত হতে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হলে জরুরি মুহূর্তে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীরা দ্রুততম সময়ে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসাসেবা পাবেন।
স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রম চালু হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই অঞ্চলে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবায় এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন