গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬’ (১–৭ আগস্ট) উপলক্ষে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনফারেন্স রুমে এই সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রায়হান ইসলাম শোভনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ আশিক কবির। ডা. দীপ সাহার সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. বিশ্বদেব মণ্ডল, মুকসুদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. ওহিদুল ইসলাম।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. মো. রায়হান ইসলাম শোভন বলেন, মাতৃদুগ্ধই নবজাতকের প্রথম ও সর্বোত্তম প্রাকৃতিক খাদ্য। শিশুর জন্মের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে শালদুধ খাওয়ানো এবং প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ পান করানো শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। এটি শিশুর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ায় এবং অপুষ্টি ও মারাত্মক সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে। তিনি পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সমাজে মাতৃদুগ্ধবান্ধব পরিবেশ তৈরি করার জোর তাগিদ দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেন, একটি সুস্থ, মেধাভিত্তিক ও সক্ষম জাতি গঠনের মূল ভিত্তি তৈরি হয় শিশু জন্মের পরপরই। তাই মাতৃদুগ্ধের কোনো বিকল্প নেই। স্বাস্থ্য বিভাগ, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমসহ সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগে এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।
আরএমও ডা. বিশ্বদেব মণ্ডল জানান, মায়ের দুধ পান করানো শুধু শিশুর শরীর ও মন বিকালেই ভূমিকা রাখে না, বরং এটি মায়ের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এবং নানা জটিল রোগ থেকে রক্ষায়ও সমান কাজ করে।
প্রেস ক্লাব সভাপতি মো. ছিরু মিয়া মাতৃদুগ্ধকে শিশুর জন্মগত অধিকার হিসেবে উল্লেখ করে জনস্বার্থে স্বাস্থ্য বিভাগের এই ধরনের পদক্ষেপে সাংবাদিকদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. ওহিদুল ইসলাম বলেন, সমাজে সচেতনতা তৈরি করতে গণমাধ্যমের শক্তিশালী ভূমিকা রয়েছে। শিশুরা যাতে তাদের প্রাপ্ত পুষ্টি থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাব।
সভায় ‘জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি এখন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমন্বিত প্রয়াসের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানে মুকসুদপুর প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান লেবু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমান মিন্টু, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬’ (১–৭ আগস্ট) উপলক্ষে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনফারেন্স রুমে এই সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রায়হান ইসলাম শোভনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ আশিক কবির। ডা. দীপ সাহার সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. বিশ্বদেব মণ্ডল, মুকসুদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. ওহিদুল ইসলাম।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. মো. রায়হান ইসলাম শোভন বলেন, মাতৃদুগ্ধই নবজাতকের প্রথম ও সর্বোত্তম প্রাকৃতিক খাদ্য। শিশুর জন্মের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে শালদুধ খাওয়ানো এবং প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ পান করানো শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। এটি শিশুর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ায় এবং অপুষ্টি ও মারাত্মক সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে। তিনি পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সমাজে মাতৃদুগ্ধবান্ধব পরিবেশ তৈরি করার জোর তাগিদ দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেন, একটি সুস্থ, মেধাভিত্তিক ও সক্ষম জাতি গঠনের মূল ভিত্তি তৈরি হয় শিশু জন্মের পরপরই। তাই মাতৃদুগ্ধের কোনো বিকল্প নেই। স্বাস্থ্য বিভাগ, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমসহ সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগে এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।
আরএমও ডা. বিশ্বদেব মণ্ডল জানান, মায়ের দুধ পান করানো শুধু শিশুর শরীর ও মন বিকালেই ভূমিকা রাখে না, বরং এটি মায়ের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এবং নানা জটিল রোগ থেকে রক্ষায়ও সমান কাজ করে।
প্রেস ক্লাব সভাপতি মো. ছিরু মিয়া মাতৃদুগ্ধকে শিশুর জন্মগত অধিকার হিসেবে উল্লেখ করে জনস্বার্থে স্বাস্থ্য বিভাগের এই ধরনের পদক্ষেপে সাংবাদিকদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. ওহিদুল ইসলাম বলেন, সমাজে সচেতনতা তৈরি করতে গণমাধ্যমের শক্তিশালী ভূমিকা রয়েছে। শিশুরা যাতে তাদের প্রাপ্ত পুষ্টি থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাব।
সভায় ‘জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি এখন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমন্বিত প্রয়াসের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানে মুকসুদপুর প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান লেবু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমান মিন্টু, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন