গোপালগঞ্জের সরকারি মুকসুদপুর কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় কলেজ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক সলিল কুমার বিশ্বাস। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি মুকসুদপুর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য ও উপস্থিতি বজায় রাখেন কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব হাসান মিয়া।
ঐতিহাসিক দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রবন্ধ রচনা, কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ পুরো অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণকে মুখরিত করে তোলে। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
ছবি: দৈনিক নতুন আলো
আলোচনা সভায় বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ছাত্র-জনতার অসামান্য আত্মত্যাগ এবং দেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় এ আন্দোলনের অসীম তাৎপর্য গভীরভাবে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক চেতনা ও নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তারা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের স্মরণে এক বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতের মাধ্যমে আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। মোনাজাতের মধ্য দিয়েই দিনব্যাপী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জের সরকারি মুকসুদপুর কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় কলেজ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক সলিল কুমার বিশ্বাস। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি মুকসুদপুর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য ও উপস্থিতি বজায় রাখেন কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব হাসান মিয়া।
ঐতিহাসিক দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রবন্ধ রচনা, কবিতা আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ পুরো অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণকে মুখরিত করে তোলে। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
ছবি: দৈনিক নতুন আলো
আলোচনা সভায় বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ছাত্র-জনতার অসামান্য আত্মত্যাগ এবং দেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় এ আন্দোলনের অসীম তাৎপর্য গভীরভাবে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক চেতনা ও নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তারা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের স্মরণে এক বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতের মাধ্যমে আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। মোনাজাতের মধ্য দিয়েই দিনব্যাপী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন