জানা গেছে, সোমবার বিকেলে স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীপার বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তিনি তার স্বামীকে একটি ঘরে আটকে রেখে পাশের ঘরে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন। পরবর্তীতে তার স্বামী বাড়ির দারোয়ানকে ডেকে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দীপাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
দীপা দাসের সহপাঠী জেরভাস বিশ্বাস গণমাধ্যমকে বলেন, আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ আমরা এখনো বিস্তারিত জানি না। তবে ঝগড়ার পর গতকাল বিকেলে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে শুনেছি। মেধাবী এই সহপাঠীর মৃত্যুতে আমরা স্তব্ধ ও শোকাহত।
আরেক সহপাঠী রিফাত ইসলাম বলেন, দীপা অত্যন্ত অমায়িক ও মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। পড়াশোনায় তিনি অনেক ভালো ছিলেন। তার এমন চলে যাওয়া মেনে নেওয়া কঠিন।
ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো বিষয়, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীপার বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তিনি তার স্বামীকে একটি ঘরে আটকে রেখে পাশের ঘরে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন। পরবর্তীতে তার স্বামী বাড়ির দারোয়ানকে ডেকে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দীপাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
দীপা দাসের সহপাঠী জেরভাস বিশ্বাস গণমাধ্যমকে বলেন, আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ আমরা এখনো বিস্তারিত জানি না। তবে ঝগড়ার পর গতকাল বিকেলে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে শুনেছি। মেধাবী এই সহপাঠীর মৃত্যুতে আমরা স্তব্ধ ও শোকাহত।
আরেক সহপাঠী রিফাত ইসলাম বলেন, দীপা অত্যন্ত অমায়িক ও মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। পড়াশোনায় তিনি অনেক ভালো ছিলেন। তার এমন চলে যাওয়া মেনে নেওয়া কঠিন।
ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো বিষয়, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন