ফরিদপুরের মধুখালীতে দেশীয় মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও জলজ পরিবেশ সুরক্ষায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। অভিযানে অবৈধভাবে নদী ও জলাশয়ে মাছ শিকারের জন্য ব্যবহৃত একটি কারেন্ট শক দেওয়ার ইলেকট্রিক সরঞ্জাম (মেশিন) এবং দুটি শক্তিশালী ব্যাটারি আটক করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নভুক্ত মধুমতী নদীসংলগ্ন রাজধরপুর এলাকায় এই ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে মূল নেতৃত্ব প্রদান করেন মধুখালী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস। অভিযানকালে রাজধরপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. বাবুল শেখের ছেলে আকাশ শেখের বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে নদী থেকে অবৈধ উপায়ে মাছ ধরার আলামত হিসেবে এসব ইলেকট্রিক শক মেশিন ও সরঞ্জাম উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে সার্বিক প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলাগত সহায়তা প্রদান করেন মধুখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীক দত্ত। এছাড়াও আড়পাড়া ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্য, উপজেলা মৎস্য দপ্তরের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. শামীম পারভেজ এবং স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মধুখালী উপজেলা শাখার সভাপতি ওমর ফারুক সহায়তায় উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্র জানায়, উন্মুক্ত জলাশয় ও নদ-নদীতে ব্যাটারিচালিত শক বা কারেন্ট শকের সাহায্যে মাছ শিকার করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটি কেবল পোনা ও মা মাছই ধ্বংস করে না, বরং পুরো এলাকার জলজ জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। জলজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার্থে মধুমতী নদী ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে এই ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনি অভিযান এবং কঠোর নজরদারি জারি থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুরের মধুখালীতে দেশীয় মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও জলজ পরিবেশ সুরক্ষায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। অভিযানে অবৈধভাবে নদী ও জলাশয়ে মাছ শিকারের জন্য ব্যবহৃত একটি কারেন্ট শক দেওয়ার ইলেকট্রিক সরঞ্জাম (মেশিন) এবং দুটি শক্তিশালী ব্যাটারি আটক করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নভুক্ত মধুমতী নদীসংলগ্ন রাজধরপুর এলাকায় এই ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে মূল নেতৃত্ব প্রদান করেন মধুখালী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস। অভিযানকালে রাজধরপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. বাবুল শেখের ছেলে আকাশ শেখের বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে নদী থেকে অবৈধ উপায়ে মাছ ধরার আলামত হিসেবে এসব ইলেকট্রিক শক মেশিন ও সরঞ্জাম উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে সার্বিক প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলাগত সহায়তা প্রদান করেন মধুখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীক দত্ত। এছাড়াও আড়পাড়া ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্য, উপজেলা মৎস্য দপ্তরের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. শামীম পারভেজ এবং স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মধুখালী উপজেলা শাখার সভাপতি ওমর ফারুক সহায়তায় উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্র জানায়, উন্মুক্ত জলাশয় ও নদ-নদীতে ব্যাটারিচালিত শক বা কারেন্ট শকের সাহায্যে মাছ শিকার করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটি কেবল পোনা ও মা মাছই ধ্বংস করে না, বরং পুরো এলাকার জলজ জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। জলজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার্থে মধুমতী নদী ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে এই ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনি অভিযান এবং কঠোর নজরদারি জারি থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন