মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বালিয়াকান্দিতে আগাম ফুলকপিতে ভয়াবহ পচন রোগ, মারাত্মক ক্ষতির মুখে চাষিরা

বালিয়াকান্দিতে আগাম ফুলকপিতে ভয়াবহ পচন রোগ, মারাত্মক ক্ষতির মুখে চাষিরা

বাড়ে খরচের ধকল, মেলে না সমাধান: গাংনীতে আমন খেতে মাজরা ও গোড়া পচা রোগের হানা

বাড়ে খরচের ধকল, মেলে না সমাধান: গাংনীতে আমন খেতে মাজরা ও গোড়া পচা রোগের হানা

পাইকগাছার নার্সারিগুলোতে গুটি কলমের ব্যস্ততা, শ্রমসংকটে বাড়তি খরচের চাপ

পাইকগাছার নার্সারিগুলোতে গুটি কলমের ব্যস্ততা, শ্রমসংকটে বাড়তি খরচের চাপ

ফরিদপুরে কৃষিতে নতুন দিগন্ত: সালথায় প্রথমবারের মতো ৮ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষ!

ফরিদপুরে কৃষিতে নতুন দিগন্ত: সালথায় প্রথমবারের মতো ৮ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষ!

হাওরে কৃষকের হাহাকার: পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ডুবছে সোনালি স্বপ্ন

হাওরে কৃষকের হাহাকার: পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ডুবছে সোনালি স্বপ্ন

সবুজ মাঠ এখন সোনালি রঙে রঙিন: হাসি ফুটবে কি মুকসুদপুরের কৃষকের মুখে?

সবুজ মাঠ এখন সোনালি রঙে রঙিন: হাসি ফুটবে কি মুকসুদপুরের কৃষকের মুখে?

হলুদ প্রান্তরে কৃষকের হাসি: চরফ্যাশনে সূর্যমুখী চাষে নতুন সম্ভাবনা

হলুদ প্রান্তরে কৃষকের হাসি: চরফ্যাশনে সূর্যমুখী চাষে নতুন সম্ভাবনা

গোপালগঞ্জে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন: সুফল পাবে কয়েক হাজার পরিবার।

গোপালগঞ্জে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন: সুফল পাবে কয়েক হাজার পরিবার।

কৃষি

বাড়ে খরচের ধকল, মেলে না সমাধান: গাংনীতে আমন খেতে মাজরা ও গোড়া পচা রোগের হানা

বাড়ে খরচের ধকল, মেলে না সমাধান: গাংনীতে আমন খেতে মাজরা ও গোড়া পচা রোগের হানা
আমন খেতে কীটনাশক দিচ্ছেন চাষি। ছবি : সংগৃহীত

সার, কীটনাশক ও ধান রোপণের মজুরি বৃদ্ধির চাপে এমনিতেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন প্রান্তিক চাষিরা। এর ওপর আমন ধানের শীষ বের হওয়ার মুহূর্তে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মাঠগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষতিকর মাজরা পোকা ও মারাত্মক গোড়া পচা রোগ। বাজারে পাওয়া বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক বারবার প্রয়োগ করেও মিলছে না আশানুরূপ সুফল। ফলে একদিকে যেমন বাড়ছে বাড়তি ওষুধের খরচ, অন্যদিকে কঙ্কালসার হতে যাওয়া ধানখেত দেখে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

সরেজমিনে উপজেলার করমদী, তেরাইলসহ বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, একের পর এক আমন খেতের ধানের গোড়া পচে ছাই হয়ে যাচ্ছে এবং মাঝখানের শীষ শুকিয়ে সাদা হয়ে আসছে। কৃষক মিজানুর রহমান ও রুবেল হোসেন জানান, শিষ বের হওয়ার মুখেই রোগের উপদ্রব শুরু হওয়ায় তাঁরা চরম বিপাকে পড়েছেন। বিঘা প্রতি যেখানে স্বাভাবিক সময়ে ১৬ থেকে ১৮ মণ ধান পাওয়ার কথা, বর্তমান পরিস্থিতে সেই ফলন অর্ধেকের নিচে নেমে আসার আশঙ্কা করছেন কৃষক আব্দুল মতিন। অনেক কৃষকের অভিযোগ, রোগ নিয়ন্ত্রণের এই দুর্যোগে কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মাঠপর্যায়ে সময়মতো পরামর্শ মিলছে না।

তবে কৃষি বিভাগের দাবি, চাষিদের সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। গাংনী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৪ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২০০ হেক্টর বেশি। আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক কারণে পোকার প্রকোপ কিছুটা দেখা দিলেও তা নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে।


গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মাজরা পোকার বিস্তার রোধে খেত থেকে কিছুটা দূরে ‘আলোকফাঁদ’ বসিয়ে মথ দমনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া খেতের বর্তমান অবস্থা নিয়ন্ত্রণে প্রতি ৫টি মরা শীষের বিপরীতে নির্দিষ্ট মাত্রায় ইনসিপিয়ো ২০ এসসি, ভিরতাকো ৪০ ডব্লিউজি কিংবা বেল্ট এক্সপার্ট ৪৮ এসসি প্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কৃষি অফিসের তদারকি অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুতই এই সংকট কেটে যাবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

বিষয় : মেহেরপুর ফসল কৃষক গাংনী জেলার খবর কীটনাশক

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


বাড়ে খরচের ধকল, মেলে না সমাধান: গাংনীতে আমন খেতে মাজরা ও গোড়া পচা রোগের হানা

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সার, কীটনাশক ও ধান রোপণের মজুরি বৃদ্ধির চাপে এমনিতেই কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন প্রান্তিক চাষিরা। এর ওপর আমন ধানের শীষ বের হওয়ার মুহূর্তে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মাঠগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষতিকর মাজরা পোকা ও মারাত্মক গোড়া পচা রোগ। বাজারে পাওয়া বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক বারবার প্রয়োগ করেও মিলছে না আশানুরূপ সুফল। ফলে একদিকে যেমন বাড়ছে বাড়তি ওষুধের খরচ, অন্যদিকে কঙ্কালসার হতে যাওয়া ধানখেত দেখে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

সরেজমিনে উপজেলার করমদী, তেরাইলসহ বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, একের পর এক আমন খেতের ধানের গোড়া পচে ছাই হয়ে যাচ্ছে এবং মাঝখানের শীষ শুকিয়ে সাদা হয়ে আসছে। কৃষক মিজানুর রহমান ও রুবেল হোসেন জানান, শিষ বের হওয়ার মুখেই রোগের উপদ্রব শুরু হওয়ায় তাঁরা চরম বিপাকে পড়েছেন। বিঘা প্রতি যেখানে স্বাভাবিক সময়ে ১৬ থেকে ১৮ মণ ধান পাওয়ার কথা, বর্তমান পরিস্থিতে সেই ফলন অর্ধেকের নিচে নেমে আসার আশঙ্কা করছেন কৃষক আব্দুল মতিন। অনেক কৃষকের অভিযোগ, রোগ নিয়ন্ত্রণের এই দুর্যোগে কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মাঠপর্যায়ে সময়মতো পরামর্শ মিলছে না।

তবে কৃষি বিভাগের দাবি, চাষিদের সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। গাংনী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৪ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২০০ হেক্টর বেশি। আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক কারণে পোকার প্রকোপ কিছুটা দেখা দিলেও তা নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে।

গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মাজরা পোকার বিস্তার রোধে খেত থেকে কিছুটা দূরে ‘আলোকফাঁদ’ বসিয়ে মথ দমনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া খেতের বর্তমান অবস্থা নিয়ন্ত্রণে প্রতি ৫টি মরা শীষের বিপরীতে নির্দিষ্ট মাত্রায় ইনসিপিয়ো ২০ এসসি, ভিরতাকো ৪০ ডব্লিউজি কিংবা বেল্ট এক্সপার্ট ৪৮ এসসি প্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কৃষি অফিসের তদারকি অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুতই এই সংকট কেটে যাবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো