সারা মাস রোজা রাখার পর ঈদের দিনে হঠাৎ করে অনেক বেশি খাবার খেয়ে ফেলেন অনেকেই। দীর্ঘ সময় সংযমের পর শরীর যখন রোজার অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে যায়, তখন একসঙ্গে বেশি খাবার গ্রহণে হজমে সমস্যা,
গ্যাস বা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।
তবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে এই অস্বস্তি দ্রুত কমানো সম্ভব—
মিষ্টি ও তেলযুক্ত খাবার বেশি খেলে শরীরে পানির ঘাটতি হতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পানি বা লেবুর জল পান করা জরুরি। তবে একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে পান করাই ভালো।
অতিরিক্ত খাওয়ার পর হালকা ও সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ করলে হজম সহজ হয়। যেমন—
দই বা চাটনি: প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে
ফলমূল: আপেল, পেয়ারা, তরমুজের মতো জলসমৃদ্ধ ফল
হালকা সবজি বা স্যুপ: পেটে স্বস্তি দেয়
কিছু ঘরোয়া পানীয় হজমে বেশ কার্যকর—
জিরা বা ধনেপাতা দিয়ে তৈরি চা গ্যাস কমাতে সাহায্য করে
আদা চা বা হালকা আদা পানি বমিভাব দূর করে এবং হজমে সহায়ক
দিনে বেশি খাওয়া হয়ে গেলে রাতে হালকা খাবার খাওয়াই ভালো। ভারী, তেলযুক্ত বা অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন।
মেন্যুতে রাখতে পারেন—টক দই, ওটস, স্যুপ, হালকা সবজি ও কম তেলযুক্ত খাবার।
ঈদের আনন্দে খাবার বেশি হয়ে যেতেই পারে। তবে সচেতন থাকলে অস্বস্তি এড়িয়ে সুস্থভাবে উৎসব উপভোগ করা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
সারা মাস রোজা রাখার পর ঈদের দিনে হঠাৎ করে অনেক বেশি খাবার খেয়ে ফেলেন অনেকেই। দীর্ঘ সময় সংযমের পর শরীর যখন রোজার অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে যায়, তখন একসঙ্গে বেশি খাবার গ্রহণে হজমে সমস্যা,
গ্যাস বা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।
তবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে এই অস্বস্তি দ্রুত কমানো সম্ভব—
মিষ্টি ও তেলযুক্ত খাবার বেশি খেলে শরীরে পানির ঘাটতি হতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পানি বা লেবুর জল পান করা জরুরি। তবে একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে পান করাই ভালো।
অতিরিক্ত খাওয়ার পর হালকা ও সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ করলে হজম সহজ হয়। যেমন—
দই বা চাটনি: প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে
ফলমূল: আপেল, পেয়ারা, তরমুজের মতো জলসমৃদ্ধ ফল
হালকা সবজি বা স্যুপ: পেটে স্বস্তি দেয়
কিছু ঘরোয়া পানীয় হজমে বেশ কার্যকর—
জিরা বা ধনেপাতা দিয়ে তৈরি চা গ্যাস কমাতে সাহায্য করে
আদা চা বা হালকা আদা পানি বমিভাব দূর করে এবং হজমে সহায়ক
দিনে বেশি খাওয়া হয়ে গেলে রাতে হালকা খাবার খাওয়াই ভালো। ভারী, তেলযুক্ত বা অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন।
মেন্যুতে রাখতে পারেন—টক দই, ওটস, স্যুপ, হালকা সবজি ও কম তেলযুক্ত খাবার।
ঈদের আনন্দে খাবার বেশি হয়ে যেতেই পারে। তবে সচেতন থাকলে অস্বস্তি এড়িয়ে সুস্থভাবে উৎসব উপভোগ করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন