সারাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় মশা বাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়নে একযোগে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদ আশিক কবির।
উদ্বোধনকালে ইউএনও মাহমুদ আশিক কবির বলেন, "জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় মশক নিধন অভিযান চলমান থাকবে। আমরা মশার প্রজনন ক্ষেত্রগুলো ধ্বংস করার বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছি।" তিনি আরও জানান, মশক নিধনের জন্য 'রীভা ২.৫ ইসি' জাতীয় ঔষধ ফগার মেশিনের মাধ্যমে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর নয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রায়হান ইসলাম শোভন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সায়েদ উদ্দিন আহাম্মেদ, মুকসুদপুর পৌরসভা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম রফিকুল ইসলাম এবং প্রকৌশলী সদানন্দ রায়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কার্যক্রম নিয়মিত চলবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
সারাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় মশা বাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়নে একযোগে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদ আশিক কবির।
উদ্বোধনকালে ইউএনও মাহমুদ আশিক কবির বলেন, "জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় মশক নিধন অভিযান চলমান থাকবে। আমরা মশার প্রজনন ক্ষেত্রগুলো ধ্বংস করার বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছি।" তিনি আরও জানান, মশক নিধনের জন্য 'রীভা ২.৫ ইসি' জাতীয় ঔষধ ফগার মেশিনের মাধ্যমে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর নয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রায়হান ইসলাম শোভন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সায়েদ উদ্দিন আহাম্মেদ, মুকসুদপুর পৌরসভা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম রফিকুল ইসলাম এবং প্রকৌশলী সদানন্দ রায়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কার্যক্রম নিয়মিত চলবে।

আপনার মতামত লিখুন