ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ভোরবেলার এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণহানির বড় ধরনের আশঙ্কা থেকে রক্ষা পেয়েছেন স্থানীয়রা। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে কলেজ মোড় এলাকা থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার ঢাকার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
ছবি: ছবি: দৈনিক নতুন আলোস্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জগামী একটি টাইলস বোঝাই ট্রাক (১১-১০-১৫) নাম্বারের একটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিশ্ব রোড সংলগ্ন একটি বসতবাড়ির রান্নাঘরের ওপর আছড়ে পড়ে। এসময় বিকট শব্দে আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চালকের ঘুমঘুম ভাব বা মুহূর্তের অসতর্কতার কারণেই ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। ভোরবেলায় দীর্ঘ সময় ধরে গাড়ি চালানোর ফলে চালকের ক্লান্তি এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
দুর্ঘটনায় ঘরের একটি অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, সে সময় রান্নাঘরে কেউ না থাকায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে ট্রাকটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং মালামালের কিছু ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি সরানোর কাজ শুরু করেন।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চালকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে দীর্ঘ পথযাত্রায় পর্যাপ্ত বিশ্রাম ছাড়া গাড়ি না চালানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সড়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক মুহূর্তের ঝিমুনি বা অসতর্কতা বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে চালকদের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত জরুরি।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ভোরবেলার এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণহানির বড় ধরনের আশঙ্কা থেকে রক্ষা পেয়েছেন স্থানীয়রা। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে কলেজ মোড় এলাকা থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার ঢাকার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
ছবি: ছবি: দৈনিক নতুন আলোস্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জগামী একটি টাইলস বোঝাই ট্রাক (১১-১০-১৫) নাম্বারের একটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিশ্ব রোড সংলগ্ন একটি বসতবাড়ির রান্নাঘরের ওপর আছড়ে পড়ে। এসময় বিকট শব্দে আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চালকের ঘুমঘুম ভাব বা মুহূর্তের অসতর্কতার কারণেই ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। ভোরবেলায় দীর্ঘ সময় ধরে গাড়ি চালানোর ফলে চালকের ক্লান্তি এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
দুর্ঘটনায় ঘরের একটি অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, সে সময় রান্নাঘরে কেউ না থাকায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে ট্রাকটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং মালামালের কিছু ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি সরানোর কাজ শুরু করেন।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চালকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে দীর্ঘ পথযাত্রায় পর্যাপ্ত বিশ্রাম ছাড়া গাড়ি না চালানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সড়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক মুহূর্তের ঝিমুনি বা অসতর্কতা বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে চালকদের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন