তোমরা স্পোর্টসের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশকে পৃথিবীর সামনে তুলে ধরবে। তোমরা প্রত্যেকে একজন বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হবে। তোমরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।—আজ বিকেলে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে শত শত শিশু-কিশোরের উপস্থিতিতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-এর উদ্বোধনকালে এসব অনুপ্রেরণামূলক কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আশির দশকের জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক মেধা অন্বেষণ কর্মসূচি নতুন কুঁড়ির আদলে এবার ক্রীড়াঙ্গনে এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ফুটবল, ক্রিকেটসহ মোট আটটি ইভেন্টে অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি নিবন্ধিত প্রতিযোগী।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে ভবিষ্যতের নেতৃত্ব গড়ে ওঠার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পড়ালেখায় কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না, তবে একই সঙ্গে খেলতে হবে। তোমাদের মধ্য থেকেই ইনশা আল্লাহ আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড়, ডাক্তার, প্রকৌশলী এবং একদিনের প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্ট তৈরি হবে।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের পটভূমি তুলে ধরে তিনি আরও জানান, প্রায় সাড়ে চার বছর আগে লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে বসে এই কার্যক্রম পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি, যা আজ বাস্তবে রূপ নিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, এই প্রজন্মই দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পালন করবে।
স্বাগত বক্তব্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট—এই আটটি ইভেন্টে সারা দেশে প্রতিযোগিতা চলবে। পুরো প্রতিযোগিতাকে ১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। আগামী ১৩ থেকে ২২ মের মধ্যে আঞ্চলিক পর্যায়ের কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে পুরো স্টেডিয়ামে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ মন্ত্রিসভার সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
তোমরা স্পোর্টসের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশকে পৃথিবীর সামনে তুলে ধরবে। তোমরা প্রত্যেকে একজন বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হবে। তোমরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।—আজ বিকেলে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে শত শত শিশু-কিশোরের উপস্থিতিতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-এর উদ্বোধনকালে এসব অনুপ্রেরণামূলক কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আশির দশকের জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক মেধা অন্বেষণ কর্মসূচি নতুন কুঁড়ির আদলে এবার ক্রীড়াঙ্গনে এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ফুটবল, ক্রিকেটসহ মোট আটটি ইভেন্টে অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি নিবন্ধিত প্রতিযোগী।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে ভবিষ্যতের নেতৃত্ব গড়ে ওঠার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পড়ালেখায় কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না, তবে একই সঙ্গে খেলতে হবে। তোমাদের মধ্য থেকেই ইনশা আল্লাহ আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড়, ডাক্তার, প্রকৌশলী এবং একদিনের প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্ট তৈরি হবে।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের পটভূমি তুলে ধরে তিনি আরও জানান, প্রায় সাড়ে চার বছর আগে লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে বসে এই কার্যক্রম পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি, যা আজ বাস্তবে রূপ নিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, এই প্রজন্মই দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পালন করবে।
স্বাগত বক্তব্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট—এই আটটি ইভেন্টে সারা দেশে প্রতিযোগিতা চলবে। পুরো প্রতিযোগিতাকে ১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। আগামী ১৩ থেকে ২২ মের মধ্যে আঞ্চলিক পর্যায়ের কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে পুরো স্টেডিয়ামে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ মন্ত্রিসভার সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন