টানা দু’বার সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। এবার লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের সামনে অনন্য হ্যাটট্রিক শিরোপা জ জয়ের মহাসুযোগ। শনিবার (৬ জুন) বহুল প্রতিক্ষিত ফাইনালে স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে পিটার বাটলারের শিষ্যরা। ট্রফির লড়াইয়ে হ্যাটট্রিক করার এমন মোক্ষম সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে চান না বাংলাদেশের অধিনায়ক মারিয়া মান্দা।
বাংলাদেশের গত দুটি চ্যাম্পিয়ন দলেও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন মারিয়া মান্দা। তবে এবার তাঁর কাঁধেই রয়েছে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুদায়িত্ব।আজ শুক্রবার (৫ জুন) ম্যাচ পূর্ববর্তী অফিশিয়াল সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেন, আমাদের টিমের সব প্লেয়ার ফিট আছে। নেপালের বিপক্ষে সেমিফাইনালে পিছিয়ে পড়েও আমরা যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় পেয়েছি, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট। ফাইনালে নামার আগে দল মানসিকভাবে দারুণ উজ্জীবিত।
সুযোগটি কাজে লাগানোর তাগিদ প্রকাশ করে মারিয়া আরও বলেন, ক্যাপ্টেন এবং প্লেয়ার হিসেবে, মনের ভেতর এই সুযোগটা কাজে লাগানোর তাগিদ কাজ করছে। টানা তৃতীয়বারের মতো সুযোগ এসেছে, এমন সুযোগ সবসময় আসে না। দেশবাসীকে একটি ভালো খেলা উপহার দিতে আমরা মাঠে আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়াই করবো।
স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে ফাইনাল খেলতে হবে বাংলাদেশকে। স্বাভাবিকভাবেই গ্যালারি থেকে তীব্র দর্শক চাপ থাকবে মারিয়া-সাগরিকাদের ওপর। তবে মাঠের বাইরের এই চাপ নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন বাংলাদেশ অধিনায়ক। নিজেদের অভিজ্ঞতা মনে করিয়ে দিয়ে মারিয়া মান্দা বলেন, বিগত সাফে আমরা যখন নেপালে খেলেছিলাম, তখনও সেখানে প্রচুর দর্শক এবং অনেক চাপ ছিল। আমরা সেগুলো সফলভাবে ফেস করেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। তাই দর্শক বা বাইরের কোনো কিছু নিয়ে আমরা ভাবছি না। আমরা জানি ভারত শক্তিশালী দল, তবে আমরা তাদের সঙ্গে লড়াই করার জন্যই প্রস্তুত হয়েছি। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মানসিকতা আমাদের আছে।
বাংলাদেশের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলারও ট্রফি ছুঁয়ে দেখতে মুখিয়ে আছেন। তবে ফাইনালের মতো হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে সুন্দর ফুটবল খেলার চেয়ে ফলাফল বের করে আনাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বাটলার বলেন, প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে সবসময় সুন্দর ফুটবল খেলাটা মুখ্য নয়, আসল বিষয় হলো জয় নিয়ে মাঠ ছাড়া। আমি ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে এই পেশায় আছি এবং নিশ্চিত করে বলতে পারি, সেরা দলগুলো শিরোপা জয়ের পথে সেমিফাইনাল বা ফাইনালে সবসময় দারুণ ফুটবল খেলে না। আসল বিষয় হলো পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল (জয়) বের করে আনা।
বিষয় : বাংলাদেশ ফুটবল নারী ফুটবল দল ভারত

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
টানা দু’বার সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। এবার লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের সামনে অনন্য হ্যাটট্রিক শিরোপা জ জয়ের মহাসুযোগ। শনিবার (৬ জুন) বহুল প্রতিক্ষিত ফাইনালে স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে পিটার বাটলারের শিষ্যরা। ট্রফির লড়াইয়ে হ্যাটট্রিক করার এমন মোক্ষম সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে চান না বাংলাদেশের অধিনায়ক মারিয়া মান্দা।
বাংলাদেশের গত দুটি চ্যাম্পিয়ন দলেও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন মারিয়া মান্দা। তবে এবার তাঁর কাঁধেই রয়েছে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুদায়িত্ব।আজ শুক্রবার (৫ জুন) ম্যাচ পূর্ববর্তী অফিশিয়াল সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেন, আমাদের টিমের সব প্লেয়ার ফিট আছে। নেপালের বিপক্ষে সেমিফাইনালে পিছিয়ে পড়েও আমরা যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় পেয়েছি, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট। ফাইনালে নামার আগে দল মানসিকভাবে দারুণ উজ্জীবিত।
সুযোগটি কাজে লাগানোর তাগিদ প্রকাশ করে মারিয়া আরও বলেন, ক্যাপ্টেন এবং প্লেয়ার হিসেবে, মনের ভেতর এই সুযোগটা কাজে লাগানোর তাগিদ কাজ করছে। টানা তৃতীয়বারের মতো সুযোগ এসেছে, এমন সুযোগ সবসময় আসে না। দেশবাসীকে একটি ভালো খেলা উপহার দিতে আমরা মাঠে আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়াই করবো।
স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে ফাইনাল খেলতে হবে বাংলাদেশকে। স্বাভাবিকভাবেই গ্যালারি থেকে তীব্র দর্শক চাপ থাকবে মারিয়া-সাগরিকাদের ওপর। তবে মাঠের বাইরের এই চাপ নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন বাংলাদেশ অধিনায়ক। নিজেদের অভিজ্ঞতা মনে করিয়ে দিয়ে মারিয়া মান্দা বলেন, বিগত সাফে আমরা যখন নেপালে খেলেছিলাম, তখনও সেখানে প্রচুর দর্শক এবং অনেক চাপ ছিল। আমরা সেগুলো সফলভাবে ফেস করেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। তাই দর্শক বা বাইরের কোনো কিছু নিয়ে আমরা ভাবছি না। আমরা জানি ভারত শক্তিশালী দল, তবে আমরা তাদের সঙ্গে লড়াই করার জন্যই প্রস্তুত হয়েছি। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মানসিকতা আমাদের আছে।
বাংলাদেশের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলারও ট্রফি ছুঁয়ে দেখতে মুখিয়ে আছেন। তবে ফাইনালের মতো হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে সুন্দর ফুটবল খেলার চেয়ে ফলাফল বের করে আনাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বাটলার বলেন, প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে সবসময় সুন্দর ফুটবল খেলাটা মুখ্য নয়, আসল বিষয় হলো জয় নিয়ে মাঠ ছাড়া। আমি ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে এই পেশায় আছি এবং নিশ্চিত করে বলতে পারি, সেরা দলগুলো শিরোপা জয়ের পথে সেমিফাইনাল বা ফাইনালে সবসময় দারুণ ফুটবল খেলে না। আসল বিষয় হলো পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল (জয়) বের করে আনা।

আপনার মতামত লিখুন