শনিবার (৭ মার্চ) সকালে সরেজমিনে টিলা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, প্রাচীন আমলের ইট, টালি ও চুন-সুরকির তৈরি স্থাপনাটির ধ্বংসাবশেষের চারপাশে নতুন করে সুরক্ষার বেষ্টনী তৈরি করা হচ্ছে। কর্মরত শ্রমিক নিপেন চন্দ্র জানান, গত দুই মাস ধরে এখানে কাজ চলছে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ প্রথমে মাটির নিচের বিভিন্ন প্রত্নসামগ্রী যাচাই-বাছাই শেষ করে এটি সংরক্ষণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।
বর্তমানে স্থাপনাটির অবশিষ্টাংশ পরিষ্কার করা হচ্ছে এবং আদি রূপ ধরে রাখতে ইটের ওপর বিশেষ প্রলেপ দেওয়ার কাজ চলছে।
টিলা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই স্থাপনার ইতিহাস প্রায় দুই হাজার বছরের পুরোনো। স্থানীয় বাসিন্দা খোকন মৃধা জানান,
প্রাচীনকালে এখানে ‘ভীম রাজা’ নামে একজন পরাক্রমশালী শাসক বসবাস করতেন, যার রাজ্যের বিস্তৃতি ছিল সুদূর পাবনা পর্যন্ত।
ঐতিহাসিক এই স্থানটি দীর্ঘকাল অবহেলিত থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ছিল। তবে বর্তমানে সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা। স্থানীয়দের মতে, ভাতের ভিটা সংরক্ষিত হলে এটি মাগুরা জেলার পর্যটন ও প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
শনিবার (৭ মার্চ) সকালে সরেজমিনে টিলা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, প্রাচীন আমলের ইট, টালি ও চুন-সুরকির তৈরি স্থাপনাটির ধ্বংসাবশেষের চারপাশে নতুন করে সুরক্ষার বেষ্টনী তৈরি করা হচ্ছে। কর্মরত শ্রমিক নিপেন চন্দ্র জানান, গত দুই মাস ধরে এখানে কাজ চলছে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ প্রথমে মাটির নিচের বিভিন্ন প্রত্নসামগ্রী যাচাই-বাছাই শেষ করে এটি সংরক্ষণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।
বর্তমানে স্থাপনাটির অবশিষ্টাংশ পরিষ্কার করা হচ্ছে এবং আদি রূপ ধরে রাখতে ইটের ওপর বিশেষ প্রলেপ দেওয়ার কাজ চলছে।
টিলা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই স্থাপনার ইতিহাস প্রায় দুই হাজার বছরের পুরোনো। স্থানীয় বাসিন্দা খোকন মৃধা জানান,
প্রাচীনকালে এখানে ‘ভীম রাজা’ নামে একজন পরাক্রমশালী শাসক বসবাস করতেন, যার রাজ্যের বিস্তৃতি ছিল সুদূর পাবনা পর্যন্ত।
ঐতিহাসিক এই স্থানটি দীর্ঘকাল অবহেলিত থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ছিল। তবে বর্তমানে সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা। স্থানীয়দের মতে, ভাতের ভিটা সংরক্ষিত হলে এটি মাগুরা জেলার পর্যটন ও প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

আপনার মতামত লিখুন