গোপালগঞ্জ জেলা শহরের প্রধান সড়কের পাঁচুরিয়া এলাকায় একটি ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি ব্রিজ ধসে বালুবাহী ট্রাক, একটি যাত্রীবাহী ইজিবাইক ও একটি বাইসাইকেল খালে পড়ে গেছে। আজ রোববার (১৪ জুন) সকাল ৮টার দিকে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় চালক ও যাত্রীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন এবং ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় জেলা শহরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পাঁচুরিয়া এলাকার ব্যস্ত ও দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ বেইলি ব্রিজটি দিয়ে একটি বালুবাহী ভারী ট্রাক পারাপার হচ্ছিল। ট্রাকটি ব্রিজের মাঝামাঝি স্থানে পৌঁছানো মাত্রই অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে না পেরে ব্রিজটির মূল কাঠামো হঠাৎ বিকট শব্দে ধসে পড়ে।
এতে মুহূর্তের মধ্যে ট্রাকটি সরাসরি নিচের খালে পড়ে যায়। ঠিক একই সময় ট্রাকের পেছনে থাকা একটি যাত্রীবাহী ইজিবাইক এবং একটি বাইসাইকেলও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালের পানিতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। তাঁদের দ্রুত সহযোগিতায় আহতদের খাল থেকে টেনে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। জানা গেছে, দুর্ঘটনায় ট্রাকচালক, ইজিবাইক চালক এবং কয়েকজন যাত্রীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রধান সড়কের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি ব্রিজটি ধসে পড়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গোপালগঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের জেলা শহরে যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সকাল থেকেই অফিসগামী কর্মজীবী মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, জরুরি রোগী ও সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বর্তমানে যানবাহন চলাচলের জন্য বিকল্প হিসেবে লেকপাড়ের সড়কটি ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে সড়কটি অত্যন্ত সংকীর্ণ এবং বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দে ভরা হওয়ায় সকাল থেকেই সেখানে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন যাতায়াত ধীরগতির হয়ে পড়েছে, অন্যদিকে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে এই বেইলি ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এলাকার বাসিন্দারা দ্রুত বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করার পাশাপাশি এখানে একটি স্থায়ী ও নিরাপদ পাকা সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জ জেলা শহরের প্রধান সড়কের পাঁচুরিয়া এলাকায় একটি ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি ব্রিজ ধসে বালুবাহী ট্রাক, একটি যাত্রীবাহী ইজিবাইক ও একটি বাইসাইকেল খালে পড়ে গেছে। আজ রোববার (১৪ জুন) সকাল ৮টার দিকে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় চালক ও যাত্রীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন এবং ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় জেলা শহরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পাঁচুরিয়া এলাকার ব্যস্ত ও দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ বেইলি ব্রিজটি দিয়ে একটি বালুবাহী ভারী ট্রাক পারাপার হচ্ছিল। ট্রাকটি ব্রিজের মাঝামাঝি স্থানে পৌঁছানো মাত্রই অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে না পেরে ব্রিজটির মূল কাঠামো হঠাৎ বিকট শব্দে ধসে পড়ে।
এতে মুহূর্তের মধ্যে ট্রাকটি সরাসরি নিচের খালে পড়ে যায়। ঠিক একই সময় ট্রাকের পেছনে থাকা একটি যাত্রীবাহী ইজিবাইক এবং একটি বাইসাইকেলও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালের পানিতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। তাঁদের দ্রুত সহযোগিতায় আহতদের খাল থেকে টেনে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। জানা গেছে, দুর্ঘটনায় ট্রাকচালক, ইজিবাইক চালক এবং কয়েকজন যাত্রীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রধান সড়কের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি ব্রিজটি ধসে পড়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গোপালগঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের জেলা শহরে যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সকাল থেকেই অফিসগামী কর্মজীবী মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, জরুরি রোগী ও সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বর্তমানে যানবাহন চলাচলের জন্য বিকল্প হিসেবে লেকপাড়ের সড়কটি ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে সড়কটি অত্যন্ত সংকীর্ণ এবং বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দে ভরা হওয়ায় সকাল থেকেই সেখানে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন যাতায়াত ধীরগতির হয়ে পড়েছে, অন্যদিকে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে এই বেইলি ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এলাকার বাসিন্দারা দ্রুত বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করার পাশাপাশি এখানে একটি স্থায়ী ও নিরাপদ পাকা সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন