ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় যশোরের মহাসড়কে এক রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ৭ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের ৩১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ শনিবার (২০ জুন) ভোররাতে যশোর-নড়াইল মহাসড়কে অবস্থিত যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর ১ নম্বর গেটের সামনে এই সফল অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে স্বর্ণের বড় চালানের সাথে জড়িত দুই আন্তর্জাতিক চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার, ৩টি মোবাইল ফোন এবং নগদ টাকা জব্দ করা হয়।
আটক হওয়া দুই পাচারকারী হলো নড়াইলের নড়াগাতি থানার খাসিআল গ্রামের খন্দকার মাহাবুবুল হক (৪৫) এবং যশোর সদরের বালিয়া ভেকুটিয়া এলাকার মো. আনিস (৩৬)।
আটকের পর বিজিবির হাত থেকে বাঁচতে নানা অজুহাত দিলেও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মূল বিড়ালটি ঝুলি থেকে বের করে দেয়। তারা স্বীকার করেছে, এই বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বার তারা ঢাকার দোলাইরপাড় এলাকার একটি বড় চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল। পরিকল্পনা ছিল বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে যশোর সীমান্ত পার করে এই কোটি কোটি টাকার স্বর্ণ ভারতে পাচার করার। কিন্তু বিজিবির গোয়েন্দা জালে শেষ রক্ষা হলো না তাদের।
আজ দুপুরে যশোর ব্যাটালিয়নের নিজস্ব দপ্তরে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান।
তিনি জানান, বিজিবির বিশেষ আভিযানিক টহল দল অত্যন্ত নিখুঁত পরিকল্পনায় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে এই গাড়িটি জব্দ করে। স্বর্ণের বারের পাশাপাশি চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার, ৩টি মোবাইল ফোন এবং নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জব্দকৃত মালপত্রের মোট বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।
বিজিবি অধিনায়ক আরও জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে চোরাচালান বিরোধী কঠোর আইনে মামলা দায়েরের পর সমস্ত মালামালসহ তাদেরকে যশোর কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই চক্রের নেপথ্যে থাকা বাকি গডফাদারদের খুঁজতেও তদন্ত শুরু হয়েছে।
বিষয় : খুলনা বিভাগ যশোর জেলার খবর ভারত পাচার

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় যশোরের মহাসড়কে এক রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ৭ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের ৩১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ শনিবার (২০ জুন) ভোররাতে যশোর-নড়াইল মহাসড়কে অবস্থিত যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর ১ নম্বর গেটের সামনে এই সফল অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে স্বর্ণের বড় চালানের সাথে জড়িত দুই আন্তর্জাতিক চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার, ৩টি মোবাইল ফোন এবং নগদ টাকা জব্দ করা হয়।
আটক হওয়া দুই পাচারকারী হলো নড়াইলের নড়াগাতি থানার খাসিআল গ্রামের খন্দকার মাহাবুবুল হক (৪৫) এবং যশোর সদরের বালিয়া ভেকুটিয়া এলাকার মো. আনিস (৩৬)।
আটকের পর বিজিবির হাত থেকে বাঁচতে নানা অজুহাত দিলেও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মূল বিড়ালটি ঝুলি থেকে বের করে দেয়। তারা স্বীকার করেছে, এই বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বার তারা ঢাকার দোলাইরপাড় এলাকার একটি বড় চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল। পরিকল্পনা ছিল বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে যশোর সীমান্ত পার করে এই কোটি কোটি টাকার স্বর্ণ ভারতে পাচার করার। কিন্তু বিজিবির গোয়েন্দা জালে শেষ রক্ষা হলো না তাদের।
আজ দুপুরে যশোর ব্যাটালিয়নের নিজস্ব দপ্তরে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান।
তিনি জানান, বিজিবির বিশেষ আভিযানিক টহল দল অত্যন্ত নিখুঁত পরিকল্পনায় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে এই গাড়িটি জব্দ করে। স্বর্ণের বারের পাশাপাশি চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার, ৩টি মোবাইল ফোন এবং নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জব্দকৃত মালপত্রের মোট বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।
বিজিবি অধিনায়ক আরও জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে চোরাচালান বিরোধী কঠোর আইনে মামলা দায়েরের পর সমস্ত মালামালসহ তাদেরকে যশোর কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই চক্রের নেপথ্যে থাকা বাকি গডফাদারদের খুঁজতেও তদন্ত শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন