সেবার ব্রতে চাকরি—এই মহান স্লোগানকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে বাংলাদেশ পুলিশের ক্যাডেট এএসআই-নিরস্ত্র (নারী/পুরুষ) পদে নিয়োগ-২০২৬ এর শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের তৃতীয় ও শেষ দিনের কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২৬ জুন ২০২৬ খ্রি.) গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে ২য় দিনের বাছাইকৃত যোগ্য প্রার্থীদের নিয়ে এই ৩য় দিনের চূড়ান্ত শারীরিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন প্রার্থীদের পুশ-আপ, সিট-আপ, ড্রাগিং ও রোপ ক্লাইম্বিংয়ের (দড়ি বেয়ে ওঠা) মতো কঠিন ইভেন্টগুলোতে অংশ নিতে হয়।
শারীরিক সক্ষমতার প্রাথমিক ধাপে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে অভিনন্দন জানিয়ে পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, আপনারা কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে আজকের এই যোগ্যতা অর্জন করেছেন। ঠিক একই রকম একাগ্রতা ও সততার সাথে পরবর্তী লিখিত ও মৌখিক ধাপগুলোর জন্য নিজেদের প্রস্তুত করবেন।
চাকরিপ্রার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে একটি কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে পুলিশ সুপার আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, মেধাভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত। কোনো দালালচক্র বা প্রতারকের কথায় বিভ্রান্ত হয়ে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনে জড়াবেন না। আপনার সততা ও মেধাই এখানে আপনার চাকরি পাওয়ার একমাত্র যোগ্যতা।নিয়োগের এই শেষ দিনে মাঠ পর্যায়ে আরও উপস্থিত ছিলেন নিয়োগ বোর্ডের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধিদ্বয় এবং গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ নিয়োগ কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা।
শারীরিক পরীক্ষার এই ধাপটি সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীরা এখন পরবর্তী লিখিত পরীক্ষার ধাপে প্রবেশ করবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
সেবার ব্রতে চাকরি—এই মহান স্লোগানকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে বাংলাদেশ পুলিশের ক্যাডেট এএসআই-নিরস্ত্র (নারী/পুরুষ) পদে নিয়োগ-২০২৬ এর শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের তৃতীয় ও শেষ দিনের কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২৬ জুন ২০২৬ খ্রি.) গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে ২য় দিনের বাছাইকৃত যোগ্য প্রার্থীদের নিয়ে এই ৩য় দিনের চূড়ান্ত শারীরিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন প্রার্থীদের পুশ-আপ, সিট-আপ, ড্রাগিং ও রোপ ক্লাইম্বিংয়ের (দড়ি বেয়ে ওঠা) মতো কঠিন ইভেন্টগুলোতে অংশ নিতে হয়।
শারীরিক সক্ষমতার প্রাথমিক ধাপে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে অভিনন্দন জানিয়ে পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, আপনারা কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে আজকের এই যোগ্যতা অর্জন করেছেন। ঠিক একই রকম একাগ্রতা ও সততার সাথে পরবর্তী লিখিত ও মৌখিক ধাপগুলোর জন্য নিজেদের প্রস্তুত করবেন।
চাকরিপ্রার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে একটি কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে পুলিশ সুপার আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, মেধাভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত। কোনো দালালচক্র বা প্রতারকের কথায় বিভ্রান্ত হয়ে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনে জড়াবেন না। আপনার সততা ও মেধাই এখানে আপনার চাকরি পাওয়ার একমাত্র যোগ্যতা।নিয়োগের এই শেষ দিনে মাঠ পর্যায়ে আরও উপস্থিত ছিলেন নিয়োগ বোর্ডের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স কর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধিদ্বয় এবং গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ নিয়োগ কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা।
শারীরিক পরীক্ষার এই ধাপটি সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীরা এখন পরবর্তী লিখিত পরীক্ষার ধাপে প্রবেশ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন