মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো

জ্বালানি সংকটের তাপ নিত্যপণ্যে: ভোজ্যতেল ও চিনির বাজারে অস্থিরতা।

জ্বালানি সংকটের প্রভাবে রাজধানীতে খুচরা পর্যায়ে বাড়তে শুরু করেছে সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের দাম। তবে সাধারণ ক্রেতারা একে ব্যবসায়ীদের অজুহাত হিসেবে দেখছেন। দ্রব্যমূল্যের এই চরম ঊর্ধ্বগতিতে বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে সোনালি মুরগির। এক বছর আগে যে মুরগি ২৩০-২৬০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তা কেজি প্রতি ৩৫০৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, খামারিরা উৎপাদন কমিয়ে দেওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বাজারে প্রায় দুই মাস ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কম। কোম্পানিগুলো ডিলার পর্যায়ে লিটারে ৩-৪ টাকা বাড়ালেও খুচরা বাজারে খোলা তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ১০ টাকা। ৫ লিটারের বোতলে আগের চেয়ে বেশি দাম গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। একইভাবে খুচরা পর্যায়ে চিনির দামও কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:500]রুই মাছের কেজি এখন ৩৫০-৪০০ টাকা। সীমিত আয়ের মানুষের ভরসা তেলাপিয়া, পাঙাশ ও চাষের কই মাছও এখন ২২০ থেকে ২৮০ টাকার নিচে মিলছে না। গ্রীষ্মকালীন সবজি এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণে না আসায় পটল, করলা ও বরবটির কেজি ঠেকেছে ১০০ টাকায়। তবে স্বস্তির খবর হলো—আলু, পেঁয়াজ ও তরমুজের দাম কিছুটা কমেছে। চালের দাম ও সরবরাহ বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।ঢাকা কাওরান বাজার এ বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুর রহমান বলেন, সোনালি মুরগির দাম এভাবে বাড়তে আগে কখনো দেখিনি। আয়ের তুলনায় খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় পরিবারের খাবারের তালিকায় কাটছাঁট করতে হচ্ছে। জ্বালানি সংকটে পরিবহন ভাড়া বাড়াকেই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

জ্বালানি সংকটের তাপ নিত্যপণ্যে: ভোজ্যতেল ও চিনির বাজারে অস্থিরতা।