পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহরে কৃষকদের জন্য এক দারুণ সুখবর নিয়ে এলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর দিনে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা এখন থেকে সরাসরি সরকারি ১০ ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী ভাষণে জানানো হয়, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে—এই মূলমন্ত্র নিয়ে সরকার কাজ করছে। কৃষক কার্ড কেবল একটি প্লাস্টিক কার্ড নয়, এটি কৃষকের আত্মনির্ভরতার প্রতীক। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা যেসব সুবিধা সরাসরি পাবেন:ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক সংগ্রহ।সহজ শর্তে কৃষি ঋণ প্রাপ্তি।সেচ সুবিধা ও কৃষিযন্ত্রে ভর্তুকি।মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি আর্থিক সহায়তা।স্বচ্ছ ও দ্রুত সেবা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা।সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হলো। বর্তমানে টাঙ্গাইলসহ দেশের ১০টি জেলায় প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে এই কার্যক্রম চলছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সমন্বিত ডেটাবেজ তৈরির মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের প্রায় এক কোটি ৬৫ লাখ কৃষক পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে।[TECHTARANGA-POST:398]প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষি সহায়তা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আসবে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কৃষকদের পাঁচটি শ্রেণিতে বিভক্ত করে এই সমন্বিত ডেটাবেজ তৈরির ফলে কৃষি খাতে সরকারি বিনিয়োগ আরও সুশৃঙ্খল হবে।