রোনালদোর জোড়া গোল, উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে হারালো পর্তুগাল
প্রথম ম্যাচের পর যারা তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ দেখে ফেলেছিলেন, তাঁদের জন্য মাঠেই রাজকীয় জবাব তৈরি করে রেখেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ২০২৬ বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে পর্তুগালকে ৫-০ ব্যবধানের বিশাল জয় এনে দেওয়ার পর সমালোচকদের এক হাত নিলেন এই ফুটবল মহাতারকা। ম্যাচ শেষ হতেই মাঠের ভেতরের ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে তিনি বলে ওঠেন, আই অ্যাম ব্যাক (আমি ফিরে এসেছি)।পরে স্পোর্ট টিভির মুখোমুখি হয়ে মাঠের সেই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার ব্যাখ্যায় রোনালদো স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাতে তারা ভুলে না যায়। প্রথম ম্যাচের ড্রয়ের পর ধেয়ে আসা তীব্র সমালোচনার এটিই সবচেয়ে মোক্ষম জবাব কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে ৪১ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি তাঁর চিরচেনা সংক্ষিপ্ত ভঙ্গিতে এক শব্দে বলেন, সব সময়ই!গেল এক সপ্তাহে তাঁর একাদশে থাকা এবং ফর্ম নিয়ে চারপাশ থেকে ধেয়ে আসছিল একের পর এক কটাক্ষ। সেই মানসিক চাপ ও কঠিন পরিস্থিতি নিয়ে রোনালদো অকপটে স্বীকার করেন, এটি একটি কঠিন সপ্তাহ ছিল, একটি অন্ধকার সপ্তাহ। মনে হচ্ছিল যেন আমি ইতিমধ্যেই ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছি; কিন্তু বরাবরের মতোই আমি হাল ছাড়িনি, কারণ আমি কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস করি। এটা বেশ কঠিন ছিল, আমাকে তা স্বীকার করতেই হবে, তবে আমরা ফিরে এসেছি।[TECHTARANGA-POST:938]হিউস্টনের মাঠে জোড়া গোল করার পাশাপাশি এদিন ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন মহাকাব্য লিখেছেন সিআরসেভেন। বিশ্বের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অবিশ্বাস্য নজির গড়েছেন তিনি। একই সঙ্গে কিংবদন্তি ইউসেবিউকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বকালের একক সর্বোচ্চ ১০ গোলের মালিক এখন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সমালোচনার তীরে বিদ্ধ হয়েও যে তিনি ফুরিয়ে যাননি, হিউস্টনের মাঠে আরও একবার তা বিশ্ববাসীকে প্রমাণ করে দিলেন এই পর্তুগিজ যুবরাজ।