মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো

ঈদের ছুটির আমেজ কাটেনি রাজধানীর বাজারে; ক্রেতা উপস্থিতি কম, ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির আমেজ এখনো পুরোপুরি কাটেনি রাজধানীতে। ঈদ পরবর্তী প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশ কম দেখা গেছে। দোকানদারদের দাবি, ঈদ উদযাপনের পর গ্রাম থেকে এখনো অনেক আড়তদার ও পাইকার কর্মস্থলে ফিরে না আসায় বাজারের চেনা ব্যস্ততা ফিরতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।আজ শুক্রবার (৫ জুন) সকালে রাজধানীর পূর্ব রামপুরাসহ বেশ কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।আজকের বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। আর সোনালী বা পাকিস্তানি মুরগির কেজি ঠেকেছে ৩৫০ টাকায়। তবে ঈদুল আজহার কারণে গরুর মাংসের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এবং অনেক দোকানদার গ্রামে থাকায় আজ বাজারে কোনো গরু ও খাসির মাংসের দোকান খোলা দেখা যায়নি। ফলে এই দুই পণ্যের সঠিক দাম জানা সম্ভব হয়নি।মাংসের দোকান বন্ধ থাকায় ক্রেতাদের উপস্থিতি কিছুটা দেখা গেছে মাছের বাজারে। বাজারে আজ প্রতি কেজি পাঙাস ও তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। চাষের কই মাছের কেজি ২২০ টাকা। এছাড়া মাঝারি আকারের রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা কেজি দরে, শিং মাছের কেজি ৩২০ টাকা এবং মৃগেল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজিতে।[TECHTARANGA-POST:805]বেশ কিছুদিন চড়া থাকার পর ডিমের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বাজারে প্রতি ডজন বাদামি (ব্রাউন) ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়, যা আগে ছিল ১৪০ টাকা। অন্যদিকে, সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, যা আগে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। অর্থাৎ, ডজনপ্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা।বাজারগুলোতে ক্রেতা কম থাকলেও সবজির দাম এখনো বেশ চড়া। আজ প্রতি কেজি কচুমুখী বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, শসা ৪০ টাকা এবং করলা ৮০ টাকায়। এ ছাড়া ঢেঁড়সের কেজি ৪০ টাকা এবং বেগুনের কেজি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। সাইজভেদে প্রতি পিস চাল কুমড়া ৫০ টাকা এবং লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়।[TECHTARANGA-POST:804]ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে আড়তদার ও পাইকাররা পুরোপুরি ফিরে এলে বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়বে এবং দাম আরও কিছুটা কমে আসবে।

ঈদের ছুটির আমেজ কাটেনি রাজধানীর বাজারে; ক্রেতা উপস্থিতি কম, ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি