বিমান খাতের সব সিন্ডিকেট নির্মূলে কাজ করছে সরকার: পর্যটনমন্ত্রী
দেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতে বিদ্যমান সব ধরনের অনিয়ম ও সিন্ডিকেট প্রথা নির্মূলে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেছেন, আপনাদের সবার আন্তরিক সহযোগিতায় বিমান খাতের সব সিন্ডিকেট নির্মূলে আমরা সক্ষম হতে পারব বলে আশা রাখি।আজ রোববার (১৬ আগস্ট) মানিকগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দেশের এভিয়েশন ও পর্যটন খাতের সার্বিক উন্নয়নে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ছয় মাসেই নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বাংলাদেশকে একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ চলছে।মন্ত্রী আরও বলেন, বিমান খাতে সাধারণ যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা ও সেবার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি টিকিট নিয়ে সিন্ডিকেট ও বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম পুরোপুরি বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সদিচ্ছা ও সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিক ও যাত্রীদের জন্য সহনশীল ও ন্যায্য বিমানভাড়া নিশ্চিত করতেও সরকার কাজ করছে বলে তিনি অবহিত করেন।জুলাই আন্দোলনের বীর যোদ্ধাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের কথা উল্লেখ করে আফরোজা খানম বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের জন্য বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের অধীন হোটেল-মোটেলসমূহে অবস্থান এবং বিমান ভাড়ায় বিশেষ ছাড় ও প্রণোদনা দেওয়ার সরকারি পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।এর আগে রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। মন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে র্যালির উদ্বোধন করেন এবং পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সংলগ্ন পুকুরে দেশি মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মন্ত্রী বলেন, দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রাণিজ আমিষ ও পুষ্টির ঘাটতি পূরণে দেশি মাছের কোনো বিকল্প নেই। দারিদ্র্য বিমোচন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জাতীয় অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে মৎস্য চাষকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও জনপ্রিয় ও আধুনিক উপায়ে সম্প্রসারিত করতে হবে। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন নিশ্চিতে মৎস্য অধিদপ্তর কাজ করছে এবং চাষিদের সব ধরনের আধুনিক কারিগরি সহায়তা দিতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।[TECHTARANGA-POST:1118]উক্ত আলোচনা সভায় মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।