যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পেলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী
তিন বছর ধরে প্রবাসজীবন কাটিয়ে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ীভাবে বসবাসের আইনি স্বীকৃতি বা গ্রিন কার্ড লাভ করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও নন্দিত চিত্রনায়িকা আরিফা পারভীন জামান মৌসুমী। গত ২০২৩ সালের দিকে আমেরিকা পাড়ি জমানোর পর থেকেই তিনি সেখানে একটানা অবস্থান করছিলেন। অবশেষে মার্কিন গ্রিন কার্ড পাওয়ার মাধ্যমে দেশটিতে তাঁর স্থায়ীভাবে বসবাসের সব বাধা ও আইনি জটিলতা কেটে গেল।স্থানীয় সময় গত শনিবার মার্কিন মুল্লুকে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নিজের গ্রিন কার্ড পাওয়ার এই সুসংবাদটি গণমাধ্যম ও উপস্থিত সবার সঙ্গে শেয়ার করেন এই তারকা অভিনেত্রী। তার এই স্থায়ীভাবে বসবাসের খবরটি প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নিয়ে আসে আনন্দের এক ভিন্ন আমেজ। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সুদূর প্রবাসে বসেও ভক্তরা নানা ফেসবুক পোস্ট ও শুভেচ্ছা বার্তার মাধ্যমে তাদের প্রিয় নায়িকাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানাচ্ছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আইন ও প্রয়োজনীয় শর্তগুলো কঠোর হওয়ায় গ্রিন কার্ডের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সাধারণত দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। মৌসুমীর ক্ষেত্রেও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় বিগত তিন বছর ধরে তার বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অবাধ যাতায়াতে কিছুটা সীমাবদ্ধতা ও দীর্ঘসূত্রতা ছিল। অবশেষে সমস্ত প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় তিনি আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা লাভ করলেন। এই প্রাপ্তিতে নিজের স্বস্তি ও আনন্দের কথাও প্রকাশ করেছেন তিনি।[TECHTARANGA-POST:1399]উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী বা বিদেশি নাগরিকদের জন্য নির্ধারিত নিয়মের আওতায় স্থায়ী বাসিন্দার আইনি মর্যাদা হিসেবে ‘গ্রিন কার্ড’ প্রদান করা হয়। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এই মর্যাদা বজায় রাখার পাশাপাশি অভিবাসন আইনের অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে গ্রিন কার্ডধারীরা পরবর্তীতে মার্কিন নাগরিকত্বের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন। প্রিয় এই নায়িকার এমন অর্জনে ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।