করপোরেট ক্যারিয়ার ছেড়ে কেন ইয়োগা? বৃতি দেব দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ শেষ করেছেন। নামকরা করপোরেট প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে চাকরির সুযোগ থাকলেও তিনি বেছে নিয়েছেন ইয়োগা ম্যাটকে। তাঁর মতে, ৯টা-৫টার ধরাবাঁধা রুটিনের চেয়ে ইয়োগা ম্যাটের ওপর কাটানো সময়গুলো তাঁকে অনেক বেশি জীবন্ত রাখে। এই ভালো লাগা থেকেই স্কলারশিপ নিয়ে বেঙ্গালুরুতে ইয়োগা ট্রেনিং নিতে যান তিনি।
নারীদের ভরসার জায়গা : বর্তমানে বৃতি দেব ইয়োগা উইদ দেব-এর স্বত্বাধিকারী ও প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি মনে করেন:
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা : বৃতি দেবের লক্ষ্য হলো প্রতিটি বয়সের নারীর কাছে ইয়োগার সুফল পৌঁছে দেওয়া। বিশেষ করে গর্ভকালীন (প্রিনেটাল) এবং প্রসব-পরবর্তী (পোস্ট-পার্টাম) সময়ে নারীরা যে হরমোনাল ও শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যান, তা মোকাবিলায় ইয়োগার গুরুত্ব ছড়িয়ে দিতে চান তিনি। বর্তমানে তিনি সরাসরি মাঠপর্যায়ে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম—উভয় মাধ্যমেই নারীদের সুস্থতা নিয়ে কাজ করছেন। বৃতি দেবের ভাষায়, একজন নারী যখন নিজের পেছনে সময় ও শ্রম বিনিয়োগ করেন, তখন তিনি শুধু নিজেকে নয়, বরং একটি পুরো সুস্থ প্রজন্ম উপহার দেন। এটাই ‘গিভ টু গেইন’-এর প্রকৃত শিক্ষা

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
করপোরেট ক্যারিয়ার ছেড়ে কেন ইয়োগা? বৃতি দেব দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ শেষ করেছেন। নামকরা করপোরেট প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে চাকরির সুযোগ থাকলেও তিনি বেছে নিয়েছেন ইয়োগা ম্যাটকে। তাঁর মতে, ৯টা-৫টার ধরাবাঁধা রুটিনের চেয়ে ইয়োগা ম্যাটের ওপর কাটানো সময়গুলো তাঁকে অনেক বেশি জীবন্ত রাখে। এই ভালো লাগা থেকেই স্কলারশিপ নিয়ে বেঙ্গালুরুতে ইয়োগা ট্রেনিং নিতে যান তিনি।
নারীদের ভরসার জায়গা : বর্তমানে বৃতি দেব ইয়োগা উইদ দেব-এর স্বত্বাধিকারী ও প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি মনে করেন:
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা : বৃতি দেবের লক্ষ্য হলো প্রতিটি বয়সের নারীর কাছে ইয়োগার সুফল পৌঁছে দেওয়া। বিশেষ করে গর্ভকালীন (প্রিনেটাল) এবং প্রসব-পরবর্তী (পোস্ট-পার্টাম) সময়ে নারীরা যে হরমোনাল ও শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যান, তা মোকাবিলায় ইয়োগার গুরুত্ব ছড়িয়ে দিতে চান তিনি। বর্তমানে তিনি সরাসরি মাঠপর্যায়ে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম—উভয় মাধ্যমেই নারীদের সুস্থতা নিয়ে কাজ করছেন। বৃতি দেবের ভাষায়, একজন নারী যখন নিজের পেছনে সময় ও শ্রম বিনিয়োগ করেন, তখন তিনি শুধু নিজেকে নয়, বরং একটি পুরো সুস্থ প্রজন্ম উপহার দেন। এটাই ‘গিভ টু গেইন’-এর প্রকৃত শিক্ষা

আপনার মতামত লিখুন