মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

সারাদেশ

এক বছর ধরে ভাঙা ব্রিজ, ৬ গ্রামের মানুষের ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো

এক বছর ধরে ভাঙা ব্রিজ, ৬ গ্রামের মানুষের ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো
ব্রিজ মেরামত না হওয়ায় স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে জরুরি কাজ চালাচ্ছেন। ছবি : সংগৃহীত

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বেগবতী নদীর ওপর নির্মিত একমাত্র ছোট ব্রিজটি ভেঙে পড়ে রয়েছে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে। দীর্ঘ এই সময়েও মেরামত বা নতুন সেতু নির্মাণ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মহারাজপুর ও কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের অন্তত ছয়টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। বাধ্য হয়ে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

জানা গেছে, গত বছরের জুলাই মাসে উত্তর ভবানীপুর ও ডেফলবাড়িয়া গ্রামের মধ্যবর্তী সীমানায় অবস্থিত প্রায় ২০ ফুট দীর্ঘ এই ব্রিজটি ধসে পড়ে। এরপর থেকেই ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

বর্তমানে মহারাজপুর ইউনিয়নের উত্তর ভবানীপুর, কুতুবপুর, পরমানন্দপুর, কুলবাড়িয়া এবং কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের ডেফলবাড়িয়া গ্রামের অধিবাসীরা এই ভাঙা ব্রিজের কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। বাঁশের সাঁকো দিয়ে হেঁটে পার হওয়া সম্ভব হলেও কৃষিপণ্য পরিবহন ও দূরপাল্লার যাতায়াতে রোগীদের নিয়ে কয়েক কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে নদীর পানি বেড়ে গেলে সাঁকোটি আরও বেশি বিপদজনক হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে ডেফলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। আগে যেসব শিশু সহজেই স্কুলে পৌঁছাতে পারত, এখন তাদের জীবনের ঝুঁকি এড়াতে প্রায় দুই কিলোমিটারের অতিরিক্ত আঁকাবাঁকা পথ ঘুরে বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে।

স্থানীয় অধিবাসী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ব্রিজ না থাকায় ধানের বস্তা, পাটসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে পরিবহন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ডেফলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুর রহমান শামীম জানান, তাঁর বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে দ্রুত এখানে একটি নতুন সেতু নির্মাণ করা জরুরি।


জনদুর্ভোগের বিষয়টি স্বীকার করে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, ভেঙে পড়া ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি আলাদা প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। যেকোনো একটি প্রকল্প অনুমোদিত হলেই দ্রুততম সময়ে কাজ শুরু করা হবে।

বিষয় : ঝিনাইদহ এলজিইডি শিক্ষার্থী নদী সাঁকো ঝুঁকিপূর্ণ ঝিনাইদহ সদর

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


এক বছর ধরে ভাঙা ব্রিজ, ৬ গ্রামের মানুষের ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বেগবতী নদীর ওপর নির্মিত একমাত্র ছোট ব্রিজটি ভেঙে পড়ে রয়েছে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে। দীর্ঘ এই সময়েও মেরামত বা নতুন সেতু নির্মাণ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মহারাজপুর ও কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের অন্তত ছয়টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। বাধ্য হয়ে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

জানা গেছে, গত বছরের জুলাই মাসে উত্তর ভবানীপুর ও ডেফলবাড়িয়া গ্রামের মধ্যবর্তী সীমানায় অবস্থিত প্রায় ২০ ফুট দীর্ঘ এই ব্রিজটি ধসে পড়ে। এরপর থেকেই ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

বর্তমানে মহারাজপুর ইউনিয়নের উত্তর ভবানীপুর, কুতুবপুর, পরমানন্দপুর, কুলবাড়িয়া এবং কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের ডেফলবাড়িয়া গ্রামের অধিবাসীরা এই ভাঙা ব্রিজের কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। বাঁশের সাঁকো দিয়ে হেঁটে পার হওয়া সম্ভব হলেও কৃষিপণ্য পরিবহন ও দূরপাল্লার যাতায়াতে রোগীদের নিয়ে কয়েক কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে নদীর পানি বেড়ে গেলে সাঁকোটি আরও বেশি বিপদজনক হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে ডেফলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। আগে যেসব শিশু সহজেই স্কুলে পৌঁছাতে পারত, এখন তাদের জীবনের ঝুঁকি এড়াতে প্রায় দুই কিলোমিটারের অতিরিক্ত আঁকাবাঁকা পথ ঘুরে বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে।

স্থানীয় অধিবাসী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ব্রিজ না থাকায় ধানের বস্তা, পাটসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারে নিতে পরিবহন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ডেফলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুর রহমান শামীম জানান, তাঁর বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে দ্রুত এখানে একটি নতুন সেতু নির্মাণ করা জরুরি।


জনদুর্ভোগের বিষয়টি স্বীকার করে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, ভেঙে পড়া ব্রিজটি পুনর্নির্মাণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি আলাদা প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। যেকোনো একটি প্রকল্প অনুমোদিত হলেই দ্রুততম সময়ে কাজ শুরু করা হবে।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো