সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এই বিবৃতিতে বলা হয়, ৫ আগস্টের পরবর্তী সময় থেকে বহু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন হত্যা মামলাসহ অসংখ্য হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে। এর ফলে সাংবাদিকদের স্বাভাবিক পেশাগত কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়:
এসব মামলার কারণে এখনো অনেক সাংবাদিক কারাবন্দি রয়েছেন এবং অনেকে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
সম্পাদক পরিষদ জানায়, এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছেও এসব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার এবং হয়রানি বন্ধে একাধিকবার অনুরোধ করা হয়েছিল। সে সময় মামলাগুলো খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
পরিষদ মনে করে, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণসাপেক্ষ অভিযোগ থাকলে তা অবশ্যই প্রচলিত আইন ও স্বচ্ছ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগের যথাযথ অনুসন্ধান ও আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। তবে ঢালাওভাবে হয়রানিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রতি বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক অঙ্গীকার। সম্পাদক পরিষদ আশা করে, নতুন সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এই বিবৃতিতে বলা হয়, ৫ আগস্টের পরবর্তী সময় থেকে বহু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন হত্যা মামলাসহ অসংখ্য হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে। এর ফলে সাংবাদিকদের স্বাভাবিক পেশাগত কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়:
এসব মামলার কারণে এখনো অনেক সাংবাদিক কারাবন্দি রয়েছেন এবং অনেকে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
সম্পাদক পরিষদ জানায়, এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছেও এসব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার এবং হয়রানি বন্ধে একাধিকবার অনুরোধ করা হয়েছিল। সে সময় মামলাগুলো খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
পরিষদ মনে করে, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণসাপেক্ষ অভিযোগ থাকলে তা অবশ্যই প্রচলিত আইন ও স্বচ্ছ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভিযোগের যথাযথ অনুসন্ধান ও আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। তবে ঢালাওভাবে হয়রানিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রতি বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক অঙ্গীকার। সম্পাদক পরিষদ আশা করে, নতুন সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

আপনার মতামত লিখুন