ফাল্গুনী রায় ভারতের উত্তর ২৪ পরগুনার বনগা থানার সিংড়ী টেঙরা কলোনির বাসিন্দা। ২০২৫ সালের জুনে বৈধভাবেই বাংলাদেশে এসেছিলেন তার প্রথম স্বামী ও সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে। কিন্তু সেখানে গিয়ে তিনি নির্মম নির্যাতনের শিকার হন। প্রথম স্বামী তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন এবং তার পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ভারতে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করেন।
নির্যাতনের শিকার হয়ে ফাল্গুনী ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবির হাতে আটক হন। পাসপোর্ট না থাকায় তার বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা দায়ের করা হয়। আইনি প্রক্রিয়ায় তার চার মাস পাঁচ দিনের জেল হলেও জটিলতার কারণে তাকে মোট ৮ মাস ১০ দিন কারাগারে থাকতে হয়।
গত ১০ জানুয়ারি ফাল্গুনীকে ঝিনাইদহ থেকে চুয়াডাঙ্গা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। ভারতীয় দূতাবাসের যাচাই-বাছাই ও ছাড়পত্র পাওয়ার পর জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন আসে। তবে ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন থাকায় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে তার প্রত্যাবর্তন পিছিয়ে যায়।
অবশেষে রোববার সকাল ১০টায় দর্শনা আইসিপি সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ, কাস্টমস-ইমিগ্রেশন এবং মানবাধিকার সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাকে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় ভারতের পক্ষে তার স্বামী প্রসেনজিৎ উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিজ দেশে ফিরতে পেরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ফাল্গুনী।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
ফাল্গুনী রায় ভারতের উত্তর ২৪ পরগুনার বনগা থানার সিংড়ী টেঙরা কলোনির বাসিন্দা। ২০২৫ সালের জুনে বৈধভাবেই বাংলাদেশে এসেছিলেন তার প্রথম স্বামী ও সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে। কিন্তু সেখানে গিয়ে তিনি নির্মম নির্যাতনের শিকার হন। প্রথম স্বামী তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন এবং তার পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ভারতে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করেন।
নির্যাতনের শিকার হয়ে ফাল্গুনী ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবির হাতে আটক হন। পাসপোর্ট না থাকায় তার বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা দায়ের করা হয়। আইনি প্রক্রিয়ায় তার চার মাস পাঁচ দিনের জেল হলেও জটিলতার কারণে তাকে মোট ৮ মাস ১০ দিন কারাগারে থাকতে হয়।
গত ১০ জানুয়ারি ফাল্গুনীকে ঝিনাইদহ থেকে চুয়াডাঙ্গা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। ভারতীয় দূতাবাসের যাচাই-বাছাই ও ছাড়পত্র পাওয়ার পর জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন আসে। তবে ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন থাকায় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে তার প্রত্যাবর্তন পিছিয়ে যায়।
অবশেষে রোববার সকাল ১০টায় দর্শনা আইসিপি সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ, কাস্টমস-ইমিগ্রেশন এবং মানবাধিকার সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাকে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় ভারতের পক্ষে তার স্বামী প্রসেনজিৎ উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিজ দেশে ফিরতে পেরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ফাল্গুনী।

আপনার মতামত লিখুন