মুকসুদপুর    মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো

বাবার মৃত্যুর ৭ বছর পর ছেলের জন্ম সংক্রান্ত প্রতিবেদন অসত্য দাবি: আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি

মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদের প্রতিবাদ

মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদের প্রতিবাদ
সহকারী মৌলভী মুহা. মুরাদ হোসেন—ছবি: সংগৃহীত

মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদের প্রতিবাদ

গত ১৮/১০/২০২৬, ২০/১০/২০২৬ ও ২৫/১০/২০২৬ ইং তারিখে যথাক্রমে ‘যুগ্যের সাথী’, ‘দৈনিক গণসংবাদ’ ও ‘ক্রাইম নিউজ’ পত্রিকায় ‘পিতার মৃত্যুর সাত বছর পর পুত্রের জন্ম তারিখ দিয়ে চাকরি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

আমি মুহা. মুরাদ হোসেন, সহকারী মৌলভী, শেখ আব্দুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসা, মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ। আমার জন্মতারিখ ০১/০১/১৯৯৮ ইং এবং আমার পিতা মুহা. মুয়াজ্জাম হোসেন ৩০/০৬/১৯৯৮ ইং তারিখে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুসনদও রয়েছে। অর্থাৎ আমার জন্মের প্রায় ছয় মাস পর পিতার মৃত্যু হয়। তাই পিতার মৃত্যুর সাত বছর পর আমার জন্মের অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য।

আমার নিয়োগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিধি-বিধান অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে বৈধভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমার নামে কোনো মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বরাদ্দ নেই বা আমি কোনো ভাতা ভোগ করি না। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক আমার বক্তব্য গ্রহণ না করেই একতরফাভাবে সংবাদ প্রকাশ করেছেন, যা দুঃখজনক ও সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী।

আমি মনে করি, মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও ব্যক্তিস্বার্থের কারণে আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এ সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট পত্রিকাগুলোতে মূল সংবাদের সমান গুরুত্ব দিয়ে এই প্রতিবাদলিপি প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হব।


প্রতিবাদকারী

মুহা. মুরাদ হোসেন

সহকারী মৌলভী

শেখ আব্দুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসা

মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদের প্রতিবাদ

গত ১৮/১০/২০২৬, ২০/১০/২০২৬ ও ২৫/১০/২০২৬ ইং তারিখে যথাক্রমে ‘যুগ্যের সাথী’, ‘দৈনিক গণসংবাদ’ ও ‘ক্রাইম নিউজ’ পত্রিকায় ‘পিতার মৃত্যুর সাত বছর পর পুত্রের জন্ম তারিখ দিয়ে চাকরি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

আমি মুহা. মুরাদ হোসেন, সহকারী মৌলভী, শেখ আব্দুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসা, মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ। আমার জন্মতারিখ ০১/০১/১৯৯৮ ইং এবং আমার পিতা মুহা. মুয়াজ্জাম হোসেন ৩০/০৬/১৯৯৮ ইং তারিখে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুসনদও রয়েছে। অর্থাৎ আমার জন্মের প্রায় ছয় মাস পর পিতার মৃত্যু হয়। তাই পিতার মৃত্যুর সাত বছর পর আমার জন্মের অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য।

আমার নিয়োগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিধি-বিধান অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে বৈধভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমার নামে কোনো মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বরাদ্দ নেই বা আমি কোনো ভাতা ভোগ করি না। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক আমার বক্তব্য গ্রহণ না করেই একতরফাভাবে সংবাদ প্রকাশ করেছেন, যা দুঃখজনক ও সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী।

আমি মনে করি, মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও ব্যক্তিস্বার্থের কারণে আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এ সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট পত্রিকাগুলোতে মূল সংবাদের সমান গুরুত্ব দিয়ে এই প্রতিবাদলিপি প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হব।


প্রতিবাদকারী

মুহা. মুরাদ হোসেন

সহকারী মৌলভী

শেখ আব্দুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসা

মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো