আধুনিকতা যখন গোটা পৃথিবীকে কৃত্রিম থেকে কৃত্রিমতর করে তুলছে, প্রযুক্তি যখন গ্রাস করে নিচ্ছে আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যকে—ঠিক তখনই একটু ভিন্ন স্রোত বইছে চিত্রা নদীর অববাহিকায়। আধুনিকতা ছুঁয়েছে ঠিকই, কিন্তু গ্রাস করতে পারেনি চিত্রার পাড়ে গড়ে ওঠা নির্মল শহর নড়াইলকে। এই জনপদ যেন সম্মিলিত এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিজেদের শিকড় আর স্বকীয় সংস্কৃতিকে লালন করার।
নড়াইল নামকরণের পেছনে রয়েছে এক অলৌকিক ও কৌতূহলোদ্দীপক ইতিহাস। তখন বাংলার নবাব আলিবর্দি খাঁ। তাঁর এক কর্মচারী মদনগোপাল দত্ত সপরিবারে নৌকাযোগে ঘুরতে যান কিসমত কুড়িগ্রাম নামের এক জায়গায়। সেখানে তিনি কচুরিপানার ধাপের ওপর এক সাধুকে ধ্যানরত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি ছিলেন নড়িয়াল ফকির। দৃশ্যটি মদনগোপালের মন কেড়ে নেয় এবং তিনি ফকিরের আশীর্বাদ কামনা করেন। ফকির সন্তুষ্ট হয়ে নিজের হাতের নড়ি (লাঠি) উপহার দিয়ে সেই এলাকা আবাদ করার উপদেশ দেন।
নড়াইল শুধু প্রকৃতির রূপেই অনন্য নয়, এটি বাংলা সংস্কৃতির বহু নক্ষত্রের জন্মস্থান। নড়াইলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও সামাজিক পরিচয় তুলে ধরতে গিয়ে এখানকার বরেণ্য সন্তানদের নাম না নিলেই নয় :
এছাড়াও সুফি লোকসংগীতের প্রসারে এই অঞ্চলের সাধকদের অবদান আজীবন মনে রাখার মতো।
এস এম সুলতান: বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী। ছবি : সংগ্রহ
ফকিরের আশীর্বাদ পেয়ে মদনগোপাল কুড়িগ্রামে বসতি স্থাপন করেন এবং ধীরে ধীরে জনবসতি গড়ে ওঠে। নড়িয়াল ফকিরের আশীর্বাদপুষ্ট সেই জায়গাটির নাম লোকমুখে প্রথমে হয় নড়িয়াল, যা কালের বিবর্তনে আজকের নড়াইল রূপ ধারণ করেছে।
নড়াইল সংস্কৃতির প্রথম ভিত্তি তৈরি করেছে চিত্রা নদী। মাঝিমাল্লা, কৃষক, জেলেদের গান, উৎসব ও বিশ্বাস থেকেই জন্ম নিয়েছে যাত্রাপালা, ভাটিয়ালি, সারিগান আর ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ।
এখানে সংস্কৃতি ধরে রাখার দায়িত্ব কোনো বড় প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়নি। পাড়া-মহল্লার ক্লাব, স্কুল-কলেজকেন্দ্রিক অনুষ্ঠান এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মিলে এখানে একটি স্বতঃস্ফূর্ত সাংস্কৃতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। জেলাটিতে এখনো প্রায় ৪০টিরও বেশি সাংস্কৃতিক সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। যার মধ্যে চিত্রা থিয়েটার, নাট্য নন্দন, মূর্ছনা সংগীত একাডেমি, ছায়ানট, ললিত কলা পরিষদ, গণনাট্য সংস্থা, রবীনন্দন সংগীত বিদ্যালয়, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ অন্যতম। একুশে ফেব্রুয়ারির মোমবাতি প্রজ্বলন থেকে শুরু করে নাট্যোৎসব, লোকসংগীত সন্ধ্যা—সবকিছুই নড়াইলবাসীর জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
নড়াইলের হাটবাড়িয়া প্রাসাদ। ছবি : সংগ্রহ
নড়াইলের সংস্কৃতি বলতে যার নাম সবার আগে আসে, তিনি শিল্পী এস এম সুলতান। তিনি শুধু চিত্রশিল্পী নন, এই জনপদের সাংস্কৃতিক ভাবনার বাতিঘর। তাঁর তুলিতে উঠে এসেছে নদী, মাঠ আর কৃষকের পেশিবহুল শরীরের গল্প, যা নড়াইলবাসীকে নিজের শিকড় চিনিয়েছে। চিত্রা থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান লিজার ভাষায়, সুলতান মানেই একটা ক্যানভাস। আজকেও নড়াইলের কোনো শিশুকে ছবি আঁকতে বললে সে ইট-পাথরের দেয়াল আঁকে না, তার ক্যানভাসে ফুটে ওঠে নদী আর গ্রাম। এটাই সুলতানের লিগ্যাসি।
নড়াইলের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তুলনামূলক নতুন সংযোজন ফটোগ্রাফি। নড়াইল ফটোগ্রাফি সোসাইটির সভাপতি আশিস কুমার রায়ের মতে, এখন সবার হাতে মোবাইল ক্যামেরা থাকলেও ছবি তোলা আর ফটোগ্রাফিকে শিল্প হিসেবে বোঝা এক জিনিস নয়। তরুণদের রিলস বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক ছবি তোলার প্রবণতাকে আলোর কারিগরি ও বার্তার মাধ্যমে শিল্পে রূপ দেওয়ার কাজ করছে এই সোসাইটি। এর ফলশ্রুতিতে নড়াইলের ছবি এখন জাতীয় পর্যায়ের প্রদর্শনীতেও স্থান করে নিচ্ছে।
তুলারামপুর বাজার: নড়াইলে ডিঙ্গি নৌকার বাজার। ছবি : সংগ্রহ
তবে এই উজ্জ্বল সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু অন্ধকার দিকও রয়েছে। বর্তমান আকাশ সংস্কৃতি ও দ্রুত জনপ্রিয়তার লোভে তরুণরা থিয়েটার বা সংগীতের দীর্ঘ অনুশীলন, ধৈর্য ও শ্রমের জায়গা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। পাশাপাশি অনেক অভিভাবকও খুব অল্প সময়ে বড় সাফল্য চান, যা দীর্ঘমেয়াদি শিল্পচর্চার পথে বড় বাধা।
মাশরাফি বিন মর্তুজা। ছবি : সংগ্রহ
আরও একটি বড় সংকট হলো ধর্মীয় মেরুকরণ। অতীতে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সব উৎসবে মেতে ওঠার যে ঐতিহ্য ছিল, তা কিছুটা ফিকে হতে শুরু করেছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে মুসলিম পরিবারের সন্তানদের অংশগ্রহণ আগের চেয়ে কমে গেছে, যা সংস্কৃতির বহুত্ববাদী চরিত্রের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় যেখানে অনেক জায়গায় সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড স্থবির, সেখানে আশিস কুমার রায়ের স্পষ্ট বার্তা—আমরা রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা চাই, কিন্তু প্রভাব চাই না। দলমত নির্বিশেষে সবাই যদি সংস্কৃতিকে বাঁচাতে চায় তাহলেই একটা জাতি বাঁচবে। ঠিক একই প্রতিধ্বনি শোনা গেল নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী পার্থ সাহার কণ্ঠেও। তাঁর মতে, মোবাইল আর সোশ্যাল মিডিয়ার বাইরে এসে যখন নাটকের রিহার্সাল করি, তখন নিজেকে আলাদা একজন মানুষ মনে হয়। সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত না থাকলে আমরা হয়ত ভালো নম্বর পাব, কিন্তু ভালো মানুষ হতে পারব না।
আজ ২৫শে বৈশাখ, ১৬৫তম রবীন্দ্রজয়ন্তী। চারপাশের প্রযুক্তির আগ্রাসনের মাঝেও নড়াইল প্রমাণ করছে, সংস্কৃতি কোনো জাদুঘরের স্মৃতি নয়—এ এক চলমান জীবনধারা। অনেক কিছু বদলে গেলেও চিত্রার পাড়ে আজও গান ভেসে আসে, মঞ্চে আলো জ্বলে, আর ক্যানভাসে নতুন রঙের জন্ম হয়। এই অবিনাশী ধারাই নড়াইলের প্রাণশক্তি।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
আধুনিকতা যখন গোটা পৃথিবীকে কৃত্রিম থেকে কৃত্রিমতর করে তুলছে, প্রযুক্তি যখন গ্রাস করে নিচ্ছে আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যকে—ঠিক তখনই একটু ভিন্ন স্রোত বইছে চিত্রা নদীর অববাহিকায়। আধুনিকতা ছুঁয়েছে ঠিকই, কিন্তু গ্রাস করতে পারেনি চিত্রার পাড়ে গড়ে ওঠা নির্মল শহর নড়াইলকে। এই জনপদ যেন সম্মিলিত এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিজেদের শিকড় আর স্বকীয় সংস্কৃতিকে লালন করার।
নড়াইল নামকরণের পেছনে রয়েছে এক অলৌকিক ও কৌতূহলোদ্দীপক ইতিহাস। তখন বাংলার নবাব আলিবর্দি খাঁ। তাঁর এক কর্মচারী মদনগোপাল দত্ত সপরিবারে নৌকাযোগে ঘুরতে যান কিসমত কুড়িগ্রাম নামের এক জায়গায়। সেখানে তিনি কচুরিপানার ধাপের ওপর এক সাধুকে ধ্যানরত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি ছিলেন নড়িয়াল ফকির। দৃশ্যটি মদনগোপালের মন কেড়ে নেয় এবং তিনি ফকিরের আশীর্বাদ কামনা করেন। ফকির সন্তুষ্ট হয়ে নিজের হাতের নড়ি (লাঠি) উপহার দিয়ে সেই এলাকা আবাদ করার উপদেশ দেন।
নড়াইল শুধু প্রকৃতির রূপেই অনন্য নয়, এটি বাংলা সংস্কৃতির বহু নক্ষত্রের জন্মস্থান। নড়াইলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও সামাজিক পরিচয় তুলে ধরতে গিয়ে এখানকার বরেণ্য সন্তানদের নাম না নিলেই নয় :
এছাড়াও সুফি লোকসংগীতের প্রসারে এই অঞ্চলের সাধকদের অবদান আজীবন মনে রাখার মতো।
এস এম সুলতান: বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী। ছবি : সংগ্রহ
ফকিরের আশীর্বাদ পেয়ে মদনগোপাল কুড়িগ্রামে বসতি স্থাপন করেন এবং ধীরে ধীরে জনবসতি গড়ে ওঠে। নড়িয়াল ফকিরের আশীর্বাদপুষ্ট সেই জায়গাটির নাম লোকমুখে প্রথমে হয় নড়িয়াল, যা কালের বিবর্তনে আজকের নড়াইল রূপ ধারণ করেছে।
নড়াইল সংস্কৃতির প্রথম ভিত্তি তৈরি করেছে চিত্রা নদী। মাঝিমাল্লা, কৃষক, জেলেদের গান, উৎসব ও বিশ্বাস থেকেই জন্ম নিয়েছে যাত্রাপালা, ভাটিয়ালি, সারিগান আর ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ।
এখানে সংস্কৃতি ধরে রাখার দায়িত্ব কোনো বড় প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়নি। পাড়া-মহল্লার ক্লাব, স্কুল-কলেজকেন্দ্রিক অনুষ্ঠান এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মিলে এখানে একটি স্বতঃস্ফূর্ত সাংস্কৃতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। জেলাটিতে এখনো প্রায় ৪০টিরও বেশি সাংস্কৃতিক সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। যার মধ্যে চিত্রা থিয়েটার, নাট্য নন্দন, মূর্ছনা সংগীত একাডেমি, ছায়ানট, ললিত কলা পরিষদ, গণনাট্য সংস্থা, রবীনন্দন সংগীত বিদ্যালয়, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ অন্যতম। একুশে ফেব্রুয়ারির মোমবাতি প্রজ্বলন থেকে শুরু করে নাট্যোৎসব, লোকসংগীত সন্ধ্যা—সবকিছুই নড়াইলবাসীর জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
নড়াইলের হাটবাড়িয়া প্রাসাদ। ছবি : সংগ্রহ
নড়াইলের সংস্কৃতি বলতে যার নাম সবার আগে আসে, তিনি শিল্পী এস এম সুলতান। তিনি শুধু চিত্রশিল্পী নন, এই জনপদের সাংস্কৃতিক ভাবনার বাতিঘর। তাঁর তুলিতে উঠে এসেছে নদী, মাঠ আর কৃষকের পেশিবহুল শরীরের গল্প, যা নড়াইলবাসীকে নিজের শিকড় চিনিয়েছে। চিত্রা থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান লিজার ভাষায়, সুলতান মানেই একটা ক্যানভাস। আজকেও নড়াইলের কোনো শিশুকে ছবি আঁকতে বললে সে ইট-পাথরের দেয়াল আঁকে না, তার ক্যানভাসে ফুটে ওঠে নদী আর গ্রাম। এটাই সুলতানের লিগ্যাসি।
নড়াইলের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তুলনামূলক নতুন সংযোজন ফটোগ্রাফি। নড়াইল ফটোগ্রাফি সোসাইটির সভাপতি আশিস কুমার রায়ের মতে, এখন সবার হাতে মোবাইল ক্যামেরা থাকলেও ছবি তোলা আর ফটোগ্রাফিকে শিল্প হিসেবে বোঝা এক জিনিস নয়। তরুণদের রিলস বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক ছবি তোলার প্রবণতাকে আলোর কারিগরি ও বার্তার মাধ্যমে শিল্পে রূপ দেওয়ার কাজ করছে এই সোসাইটি। এর ফলশ্রুতিতে নড়াইলের ছবি এখন জাতীয় পর্যায়ের প্রদর্শনীতেও স্থান করে নিচ্ছে।
তুলারামপুর বাজার: নড়াইলে ডিঙ্গি নৌকার বাজার। ছবি : সংগ্রহ
তবে এই উজ্জ্বল সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু অন্ধকার দিকও রয়েছে। বর্তমান আকাশ সংস্কৃতি ও দ্রুত জনপ্রিয়তার লোভে তরুণরা থিয়েটার বা সংগীতের দীর্ঘ অনুশীলন, ধৈর্য ও শ্রমের জায়গা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। পাশাপাশি অনেক অভিভাবকও খুব অল্প সময়ে বড় সাফল্য চান, যা দীর্ঘমেয়াদি শিল্পচর্চার পথে বড় বাধা।
মাশরাফি বিন মর্তুজা। ছবি : সংগ্রহ
আরও একটি বড় সংকট হলো ধর্মীয় মেরুকরণ। অতীতে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সব উৎসবে মেতে ওঠার যে ঐতিহ্য ছিল, তা কিছুটা ফিকে হতে শুরু করেছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে মুসলিম পরিবারের সন্তানদের অংশগ্রহণ আগের চেয়ে কমে গেছে, যা সংস্কৃতির বহুত্ববাদী চরিত্রের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় যেখানে অনেক জায়গায় সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড স্থবির, সেখানে আশিস কুমার রায়ের স্পষ্ট বার্তা—আমরা রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা চাই, কিন্তু প্রভাব চাই না। দলমত নির্বিশেষে সবাই যদি সংস্কৃতিকে বাঁচাতে চায় তাহলেই একটা জাতি বাঁচবে। ঠিক একই প্রতিধ্বনি শোনা গেল নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী পার্থ সাহার কণ্ঠেও। তাঁর মতে, মোবাইল আর সোশ্যাল মিডিয়ার বাইরে এসে যখন নাটকের রিহার্সাল করি, তখন নিজেকে আলাদা একজন মানুষ মনে হয়। সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত না থাকলে আমরা হয়ত ভালো নম্বর পাব, কিন্তু ভালো মানুষ হতে পারব না।
আজ ২৫শে বৈশাখ, ১৬৫তম রবীন্দ্রজয়ন্তী। চারপাশের প্রযুক্তির আগ্রাসনের মাঝেও নড়াইল প্রমাণ করছে, সংস্কৃতি কোনো জাদুঘরের স্মৃতি নয়—এ এক চলমান জীবনধারা। অনেক কিছু বদলে গেলেও চিত্রার পাড়ে আজও গান ভেসে আসে, মঞ্চে আলো জ্বলে, আর ক্যানভাসে নতুন রঙের জন্ম হয়। এই অবিনাশী ধারাই নড়াইলের প্রাণশক্তি।

আপনার মতামত লিখুন