স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে গড়াই নদীতে একসাথে চার শিশু গোসলে নামে। একপর্যায়ে তারা সাঁতরে নদীর মাঝখানে জেগে ওঠা চরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তীব্র স্রোতের মুখে পড়ে। স্রোত শিশুদের ভাসিয়ে গভীর নদীর দিকে নিয়ে যায়। এ সময় ঘাটে থাকা ডিঙ্গি নৌকার মাঝিরা দ্রুত এগিয়ে এসে সামিয়া (৬) ও সুমাইয়া (৮) নামের দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও বাকি দুইজন তলিয়ে যায়।
নিখোঁজ দুই শিশু হলো— ফারুকের মেয়ে তাইফা (৭) এবং সোহেলের মেয়ে সুরাইয়া (৮)। উদ্ধার হওয়া শিশু সামিয়া জানায়, তারা সবাই মিলে সাঁতরে চরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, কিন্তু হঠাৎ স্রোত তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ডাঙ্গায় ওঠার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও তার দুই সাথী চোখের পলকে ভেসে যায়।
ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় জেলেরা ও খোকসা ফায়ার ব্রিগেডের সদস্যরা নদীতে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে নিখোঁজ শিশুদের অবস্থান শনাক্ত করা এখনো সম্ভব হয়নি।
খোকসা ফায়ার ব্রিগেড ও সিভিল ডিফেন্স ইউনিটের লিডার রওশন আলী জানান:
“উদ্ধার হওয়া শিশুদের ভাষ্যমতে দুইজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। খুলনা থেকে একটি বিশেষ ডুবুরি দল খোকসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। রাত ৮টার দিকে তাদের পৌঁছানোর কথা রয়েছে। যদি পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়, তবে রাতেই উদ্ধার অভিযান শুরু করা হবে।”
নিখোঁজ শিশুদের পরিবারে এখন চলছে শোকের মাতম। গড়াই নদীর পাড়ে শত শত উৎসুক জনতা ও স্বজনরা ভিড় করে প্রিয় সন্তানদের ফিরে আসার প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে গড়াই নদীতে একসাথে চার শিশু গোসলে নামে। একপর্যায়ে তারা সাঁতরে নদীর মাঝখানে জেগে ওঠা চরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তীব্র স্রোতের মুখে পড়ে। স্রোত শিশুদের ভাসিয়ে গভীর নদীর দিকে নিয়ে যায়। এ সময় ঘাটে থাকা ডিঙ্গি নৌকার মাঝিরা দ্রুত এগিয়ে এসে সামিয়া (৬) ও সুমাইয়া (৮) নামের দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও বাকি দুইজন তলিয়ে যায়।
নিখোঁজ দুই শিশু হলো— ফারুকের মেয়ে তাইফা (৭) এবং সোহেলের মেয়ে সুরাইয়া (৮)। উদ্ধার হওয়া শিশু সামিয়া জানায়, তারা সবাই মিলে সাঁতরে চরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল, কিন্তু হঠাৎ স্রোত তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ডাঙ্গায় ওঠার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও তার দুই সাথী চোখের পলকে ভেসে যায়।
ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় জেলেরা ও খোকসা ফায়ার ব্রিগেডের সদস্যরা নদীতে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে নিখোঁজ শিশুদের অবস্থান শনাক্ত করা এখনো সম্ভব হয়নি।
খোকসা ফায়ার ব্রিগেড ও সিভিল ডিফেন্স ইউনিটের লিডার রওশন আলী জানান:
“উদ্ধার হওয়া শিশুদের ভাষ্যমতে দুইজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। খুলনা থেকে একটি বিশেষ ডুবুরি দল খোকসার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। রাত ৮টার দিকে তাদের পৌঁছানোর কথা রয়েছে। যদি পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়, তবে রাতেই উদ্ধার অভিযান শুরু করা হবে।”
নিখোঁজ শিশুদের পরিবারে এখন চলছে শোকের মাতম। গড়াই নদীর পাড়ে শত শত উৎসুক জনতা ও স্বজনরা ভিড় করে প্রিয় সন্তানদের ফিরে আসার প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছেন।

আপনার মতামত লিখুন