বিভিন্ন অনিয়ম ও শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে আগেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার শেখ আব্দুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সাইফুল ইসলামকে। এবার তাঁর ২০০২ সালের মূল নিয়োগ ও নিয়োগ বৈধকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বরখাস্তের পর উক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বেআইনি ছিল কি না—তা তদন্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে নতুন করে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শেখ নাজিম উদ্দিন গত ২৭ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) পরিচালক, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি), মুকসুদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ পাঠান।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষের ২০০২ সালের নিয়োগ ও পরবর্তী সময়ে তা বৈধকরণের প্রাথমিক ভিত্তি নিয়ে গুরুতর অসঙ্গতি রয়েছে। তৎকালীন বিধিবিধান অনুসরণ না করে কিংবা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করা হয়ে থাকলে তা আইনগতভাবে অকার্যকর বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মূল নিয়োগপত্র, নিয়োগ পরীক্ষার কার্যবিবরণী ও সরকারি অনুমোদন সংক্রান্ত মূল নথিপত্র তলব করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছেও একই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল। সরকারি নথিতে উল্লেখ রয়েছে, আবেদনের পরদিনই অভিযোগটি চেয়ারম্যানের দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পূর্বে ঘটা বিভিন্ন অনিয়মের কারণে সাইফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও, প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে তাঁর মূল নিয়োগের বৈধতা খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন তাঁরা।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
বিভিন্ন অনিয়ম ও শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে আগেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার শেখ আব্দুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সাইফুল ইসলামকে। এবার তাঁর ২০০২ সালের মূল নিয়োগ ও নিয়োগ বৈধকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বরখাস্তের পর উক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বেআইনি ছিল কি না—তা তদন্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে নতুন করে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শেখ নাজিম উদ্দিন গত ২৭ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) পরিচালক, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি), মুকসুদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ পাঠান।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষের ২০০২ সালের নিয়োগ ও পরবর্তী সময়ে তা বৈধকরণের প্রাথমিক ভিত্তি নিয়ে গুরুতর অসঙ্গতি রয়েছে। তৎকালীন বিধিবিধান অনুসরণ না করে কিংবা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করা হয়ে থাকলে তা আইনগতভাবে অকার্যকর বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মূল নিয়োগপত্র, নিয়োগ পরীক্ষার কার্যবিবরণী ও সরকারি অনুমোদন সংক্রান্ত মূল নথিপত্র তলব করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছেও একই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল। সরকারি নথিতে উল্লেখ রয়েছে, আবেদনের পরদিনই অভিযোগটি চেয়ারম্যানের দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পূর্বে ঘটা বিভিন্ন অনিয়মের কারণে সাইফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও, প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে তাঁর মূল নিয়োগের বৈধতা খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন তাঁরা।

আপনার মতামত লিখুন