দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পর্যটকদের জন্য আবারও উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। আগামী ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার মাস পর্যটকেরা দ্বীপে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। গতকাল রোববার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি করা হয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোষিত সময়সীমায় পর্যটকদের যাতায়াত চালু থাকলেও প্রতিদিন গড়ে সাড়ে তিন হাজারের বেশি পর্যটক দ্বীপে প্রবেশ করতে পারবেন না। পাশাপাশি দ্বীপে ভ্রমণকারী প্রতি পর্যটকের জন্য ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
চিঠির বিষয়ে যোগাযোগের ওপর মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান জানান, নির্ধারিত পুরো সময়জুড়েই দ্বীপটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করে দ্বীপের সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
জারি করা নির্দেশনায় জানানো হয়, এ বছর পর্যটকদের কেবল কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজে চড়ে সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত করতে হবে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ‘পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ (ইসিএ) বিধিমালা অনুসরণ করে নির্ধারণ করা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি সংগ্রহের ব্যবস্থা নেবে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি ছাড়া সেন্ট মার্টিন রুটে কোনো ধরনের নৌযান বা জাহাজ চলাচলের অনুমতি না দিতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আগের বিধিনিষেধের তুলনায় এবার যাতায়াতের নিয়মাবলীতে কিছুটা শিথিলতা আনা হয়েছে। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে দ্বীপটির নাজুক পরিবেশ রক্ষায় ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ থেকে দুই হাজার পর্যটকের সীমা এবং নির্দিষ্ট মেয়াদে রাতযাপনের ওপর নানা কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল।
দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পর্যটন ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশ যৌথভাবে তদারকি করবে।
এদিকে ১ নভেম্বর থেকে রুটটিতে নৌযান চালুর লক্ষ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছেন জাহাজমালিকেরা। সি ক্রুজ অপারেটিং নেতারা জানান, অনুমতি পাওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে বহরের জাহাজগুলো চলাচলের উপযোগী করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে পর্যটক সীমা কিছুটা বেশি থাকায় কক্সবাজার-সেন্ট মার্টিন রুটে ১০টির মতো জাহাজ চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পর্যটকদের জন্য আবারও উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। আগামী ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার মাস পর্যটকেরা দ্বীপে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন। গতকাল রোববার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি করা হয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোষিত সময়সীমায় পর্যটকদের যাতায়াত চালু থাকলেও প্রতিদিন গড়ে সাড়ে তিন হাজারের বেশি পর্যটক দ্বীপে প্রবেশ করতে পারবেন না। পাশাপাশি দ্বীপে ভ্রমণকারী প্রতি পর্যটকের জন্য ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
চিঠির বিষয়ে যোগাযোগের ওপর মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান জানান, নির্ধারিত পুরো সময়জুড়েই দ্বীপটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করে দ্বীপের সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
জারি করা নির্দেশনায় জানানো হয়, এ বছর পর্যটকদের কেবল কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজে চড়ে সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত করতে হবে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ‘পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ (ইসিএ) বিধিমালা অনুসরণ করে নির্ধারণ করা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি সংগ্রহের ব্যবস্থা নেবে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি ছাড়া সেন্ট মার্টিন রুটে কোনো ধরনের নৌযান বা জাহাজ চলাচলের অনুমতি না দিতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আগের বিধিনিষেধের তুলনায় এবার যাতায়াতের নিয়মাবলীতে কিছুটা শিথিলতা আনা হয়েছে। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে দ্বীপটির নাজুক পরিবেশ রক্ষায় ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ থেকে দুই হাজার পর্যটকের সীমা এবং নির্দিষ্ট মেয়াদে রাতযাপনের ওপর নানা কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল।
দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পর্যটন ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও ট্যুরিস্ট পুলিশ যৌথভাবে তদারকি করবে।
এদিকে ১ নভেম্বর থেকে রুটটিতে নৌযান চালুর লক্ষ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছেন জাহাজমালিকেরা। সি ক্রুজ অপারেটিং নেতারা জানান, অনুমতি পাওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে বহরের জাহাজগুলো চলাচলের উপযোগী করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে পর্যটক সীমা কিছুটা বেশি থাকায় কক্সবাজার-সেন্ট মার্টিন রুটে ১০টির মতো জাহাজ চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন