গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে এক তরুণীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে জাবেদ মাতুব্বর (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত যুবক ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার শোভারামপুর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুক্তভোগী ওই তরুণীর সঙ্গে জাবেদ মাতুব্বরের পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি কৌশলে ওই তরুণীর বেশ কিছু একান্ত ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে নিজের কাছে সংরক্ষণ করে রাখেন। পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে গেলে বা দূরত্ব তৈরি হলে সংগৃহীত সেসব স্পর্শকাতর ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া শুরু করেন জাবেদ। ছবি গোপন রাখার বিনিময়ে তিনি ওই তরুণীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ধারাবাহিক ব্ল্যাকমেইল ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে ভুক্তভোগী তরুণী বিষয়টি তার পরিবারকে জানান এবং পরবর্তীতে প্রতিকার চেয়ে মুকসুদপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি প্রাথমিক তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে সাইবার অপরাধ ও চাঁদাবাজির ধারায় মুকসুদপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। মামলা দায়েরের পরপরই মুকসুদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নিবেদিতা বকসীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল ফরিদপুর জেলা পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে। সফল ওই অভিযানে অভিযুক্ত জাবেদ মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ডেস্কে মামলা গ্রহণের পর প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির পেছনের বিস্তারিত আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে এক তরুণীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে জাবেদ মাতুব্বর (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত যুবক ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার শোভারামপুর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুক্তভোগী ওই তরুণীর সঙ্গে জাবেদ মাতুব্বরের পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি কৌশলে ওই তরুণীর বেশ কিছু একান্ত ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে নিজের কাছে সংরক্ষণ করে রাখেন। পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে গেলে বা দূরত্ব তৈরি হলে সংগৃহীত সেসব স্পর্শকাতর ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া শুরু করেন জাবেদ। ছবি গোপন রাখার বিনিময়ে তিনি ওই তরুণীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ধারাবাহিক ব্ল্যাকমেইল ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে ভুক্তভোগী তরুণী বিষয়টি তার পরিবারকে জানান এবং পরবর্তীতে প্রতিকার চেয়ে মুকসুদপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি প্রাথমিক তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে সাইবার অপরাধ ও চাঁদাবাজির ধারায় মুকসুদপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। মামলা দায়েরের পরপরই মুকসুদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নিবেদিতা বকসীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল ফরিদপুর জেলা পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে। সফল ওই অভিযানে অভিযুক্ত জাবেদ মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ডেস্কে মামলা গ্রহণের পর প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির পেছনের বিস্তারিত আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন