গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার গেড়াকোলা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় একটি দ্রুতগামী মাছবাহী পিকআপ ভ্যান ও ব্যাটারিচালিত যাত্রীবাহী ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই বাবা ও তাঁর তিন বছর বয়সী শিশুকন্যা নিহত হয়েছেন।
আজ রোববার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) সকালে মুকসুদপুর উপজেলার গেড়াকোলা ব্রিজের পশ্চিম পাশে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম সাইফুল ইসলাম রঞ্জু (৪৫)। তিনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পবন বেগ গ্রামের হেমায়েত মোল্লার ছেলে। নিহত শিশুর নাম সামিরা আক্তার (৬)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে গোপালগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল মাছবাহী একটি পিকআপ। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা মুকসুদপুরগামী একটি অটোভ্যানকে পিকআপটি চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে অটোভ্যানে থাকা বাবা ও মেয়ে গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি রাস্তা থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার গেড়াকোলা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় একটি দ্রুতগামী মাছবাহী পিকআপ ভ্যান ও ব্যাটারিচালিত যাত্রীবাহী ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই বাবা ও তাঁর তিন বছর বয়সী শিশুকন্যা নিহত হয়েছেন।
আজ রোববার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) সকালে মুকসুদপুর উপজেলার গেড়াকোলা ব্রিজের পশ্চিম পাশে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম সাইফুল ইসলাম রঞ্জু (৪৫)। তিনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পবন বেগ গ্রামের হেমায়েত মোল্লার ছেলে। নিহত শিশুর নাম সামিরা আক্তার (৬)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে গোপালগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল মাছবাহী একটি পিকআপ। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা মুকসুদপুরগামী একটি অটোভ্যানকে পিকআপটি চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে অটোভ্যানে থাকা বাবা ও মেয়ে গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি রাস্তা থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন