ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের সমস্ত ফলাফল গণনা শেষে তাঁকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যা সোয়া ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম।
ঘোষিত চূড়ান্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মির্জা ফয়সল আমীন পেয়েছেন মোট ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৫৩ ভোট। ফলে মির্জা ফয়সল আমীন ১ লাখ ৩১ হাজার ৩৩৬ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
এই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অপরাপর প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ২৯১ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুল আলিম নিজামী (বটগাছ) ৭৮৮ ভোট এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হোসাইন মোহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব) ৪৭৭ ভোট পেয়েছেন।
এর আগে আজ সকাল ৮টা থেকে ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকালের দিকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের সমাগম কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের ছিল এবং তা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এদিকে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন জানান, নির্বাচনে কোনো ধরণের প্রভাব বিস্তার বা কারচুপির সুযোগ ছিল না এবং সবার সহযোগিতায় পরিবেশ শান্ত রাখা সম্ভব হয়েছে।
পাশাপাশি জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল হক বলেন, দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া পুরোপুরি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই সাধারণ ভোটাররা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের সমস্ত ফলাফল গণনা শেষে তাঁকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যা সোয়া ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম।
ঘোষিত চূড়ান্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মির্জা ফয়সল আমীন পেয়েছেন মোট ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৫৩ ভোট। ফলে মির্জা ফয়সল আমীন ১ লাখ ৩১ হাজার ৩৩৬ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
এই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অপরাপর প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ২৯১ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুল আলিম নিজামী (বটগাছ) ৭৮৮ ভোট এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হোসাইন মোহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব) ৪৭৭ ভোট পেয়েছেন।
এর আগে আজ সকাল ৮টা থেকে ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকালের দিকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের সমাগম কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের ছিল এবং তা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এদিকে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন জানান, নির্বাচনে কোনো ধরণের প্রভাব বিস্তার বা কারচুপির সুযোগ ছিল না এবং সবার সহযোগিতায় পরিবেশ শান্ত রাখা সম্ভব হয়েছে।
পাশাপাশি জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল হক বলেন, দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া পুরোপুরি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই সাধারণ ভোটাররা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন